কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু কারচুপির যেসব অভিযোগ করেছেন তা ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেছেন নবনির্বাচিত মেয়র আরফানুল হক রিফাত।
সাক্কুর অভিযোগ সম্পর্কে আরফানুল হক রিফাত বলেন, ‘এগুলো আসলে হাস্যকর ব্যাপার। প্রতিটি কেন্দ্রে আমার এজেন্ট ছিল, সাক্কুর এজেন্টও ছিল। ১০৫ কেন্দ্রের রেজাল্ট শিট তো তাদের হাতেও দেওয়া হয়েছে। সেসব মিলালেই তো হয়।’
কুসিক নির্বাচনে ভোটে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রিফাতের কাছে ৩৪৩ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন সাক্কু।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফল অনুযায়ী, মোট ১০৫টি কেন্দ্রে আরফানুল হক রিফাত পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০ ভোট আর মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রাতে সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘১০১ কেন্দ্রে এগিয়ে থাকার পর কোনো একটি ফোন কল পেয়ে ফলাফল বদলে দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় রিফাত বলেন, ‘সাক্কু সাহেবের যেসব ভালো কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে, সেগুলো আমি এগিয়ে নেব। যখন প্রয়োজন হবে ওনার পরামর্শ নেব।’
নির্বাচনে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশ শুরুতে রিফাতের বিরোধিতা করলেও তাদের প্রতি ক্ষোভ পুষে রাখতে চান না নবনির্বাচিত এই মেয়র।
এ বিষয়ে তিনি সমকালকে বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার দল করি, আমরা আওয়ামী লীগের জন্য রাজনীতি করি। আমরা সবাই এক জায়গায়, এক প্ল্যাটফর্মে থেকে ভেদাভেদ ভুলে কাজ করে যাব। আমি ওইসব নিয়ে কোনো অভিযোগ করছি না। আমরা সবাই মিলে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাজ ও চিন্তা-চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করবো।’





