কালিয়াকৈরে পুলিশের অর্থায়নে ঘর পেলেন অসহায় নুরজাহান

মোঃ দেলোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বড়গোবিন্দপুর এলাকার গৃহহীন স্বামী পরিত্যাক্তা অসহায় নুরজাহানকে ঘর তৈরি করে দিলেন পুলিশ বিভাগ।

“বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না” মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এমন নির্দেশনা বাস্তবায়নের সহায়ক হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করতে রোববার (১০ এপ্রিল) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ২নং চাপাঁইর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বর গোবিন্দপুর এলাকায় ষাটোর্ধ বয়সী স্বামী সন্তান হারা নুরজাহান বেগমকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। পরে গৃহহীন ঐ বৃদ্ধার কাছে ঘর হস্তান্তর করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কালিয়াকৈর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ আকবর আলী, ওসি অপারেশন মনিরুজ্জামান খান, চাপাইর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান সেতুসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৪৫ বছর আগে মাত্র ১৪ বয়সে একই এলাকার সফিজ উদ্দিনের সাথে বিয়ে হয় নুরজাহানের। বিয়ের ৩ মাস পরেই স্বামী ঐনারি কে রেখে চলে যায়। এদিকে অসহায় ঐ নারী দীর্ঘ ৪০ বছর যাবত গৃহহীন হয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

পরে স্বামী সন্তান হারা নুরজাহান বেগমকে শাকিল হোসেন নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি আশ্রয় দেয়। এই শাকিল হোসেন জানতে পারে যে প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন দের ঘর প্রদান করছে, সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশ বাস্তবায়িত হত দরিদ্রদের ঘর তৈরি প্রকল্পের আওতায় ঘর দেয়া হবে এমন সংবাদের ভিত্তিতে থানার ইনচার্জের সাথে যোগাযোগ করে। পরে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ২ শতাংশ জায়গার ভিতর ৩ রুম বিশিষ্ট টিনশেড পাকা ঘর তৈরি করে হস্তান্তর করে।

নুরজাহান বেগম উপজেলার চাপাইর ইউপির বড় গোবিন্দ পুর এলাকার মৃত রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে, তার মায়ের নাম মৃত সুফিয়া বেগম।

বাড়ি হস্তান্তরকালে উপস্থিত থেকে চাপাইর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান সেতু বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়ি পাওয়া নুরজাহানকে বিধবাভাতাসহ সরকারি বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হবে।

এই বিষয়ে ঘর পাওয়া নুরজাহান বেগম জানান, আমি দীর্ঘ ৪০ বছর যাবত স্বামী হারিয়ে গৃহহীন অসহায় হয়ে জীবন যাপন করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পুলিশের সহায়তায় আজ আমি পাকা ঘর পাইছি তাই প্রধানমন্ত্রী মা শেখ হাসিনা ও পুলিশের জন্য দোয়া করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *