বিনোদন ডেস্ক- মাদক কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান জামিন পাননি। তাকে থাকতে হবে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) হেফাজতেই।
এনসিবির আইনজীবীদের দাবি, আরিয়ানের ফোন থেকে চ্যাটিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের হেফাজতে আরিয়ানকে রাখা প্রয়োজন।
শনিবার রাতে আটক করা হয় আরিয়ানকে। এনসিবি’র দপ্তরে মাদক নিয়ে ১৬ ঘণ্টা ধরে জেরা করার পর রোববার বিকেলে আরিয়ান, মুনমুন ধমেচা এবং আরবাজ শেঠ মার্চেন্টকে গ্রেপ্তার করে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার আদালতের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর পর্যন্ত তাকে নিজেদের হেফাজতে রাখবে এনসিবি।
আরিয়ানকে সোমবার বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নিয়ে যাবার পরেই তার হয়ে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী সতীশ মানশিণ্ডে। শাহরুখই তার ছেলের জন্য সতীশকে নিয়োগ করেছেন।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, এনসিবির জিজ্ঞাসাবাদের প্রথম দিকে মাদক সেবনের কথা অস্বীকার করেন আরিয়ান। যদিও পরবর্তীতে মুখ খোলেন তিনি। জানান, চার বছর ধরে মাদক সেবন করছিলেন আরিয়ান। দুবাই, লন্ডনে গিয়েও মাদক নিয়েছেন তিনি। এনসিবি কর্মকর্তারা আরিয়ানের লেন্সের কৌটো থেকে মাদক উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় গ্রেফতার মুনমুন ধামেচার স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং অন্তর্বাস থেকে প্রচুর পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়।
আরিয়ানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৭, ৮সি-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। সোমবার আদালতে তোলার আগে তিনজনের মেডিকেল পরীক্ষাও করা হয়।
এদিকে ঘটনার পর থেকেই দ্বিধাবিভক্ত সোশ্যাল মিডিয়া। এক পক্ষ শাহরুখ খানের সমালোচনা করেছে, অন্য পক্ষ বলিউড বাদশার পাশে দাঁড়িয়েছে।
আরিয়ানের গ্রেফতারের খবর পেয়েই মাঝরাতে মান্নাতে পৌঁছে যান সালমান খান। ধারণা করা হচ্ছে, শাহরুখ ও গৌরীকে সান্ত্বনা দিতে মান্নাতে যান তিনি।
অন্যদিকে শুটিংয়ের জন্য স্পেনে যাওয়ার পরিকল্পনা পিছিয়েছেন শাহরুখ। ধারণা করা হচ্ছিল, আজ জামিন পেতে পারেন আরিয়ান। কিন্তু আদালত জামিন মঞ্জুর না করায় এনসিবির হেফাজতে আরও কয়েক দিন থাকতে হবে তাকে।
উল্লেখ্য, শনিবার (২ অক্টোবর) রাতে মুম্বাই উপকূলে একটি প্রমোদতরী থেকে মাদক পার্টি করার সময় তাকেসহ মোট ৮জনকে আটক করে ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা এনসিবি। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আরিয়ানসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।





