নজর২৪, ঢাকা- অর্থ আত্মসাতের মামলা আলোচিত ইকমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডে রাসেলের বাসায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লে. কর্ণেল মো.খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছ। সেজন্য তাদের আজকে গ্রেপ্তার করে র্যাব হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’
এদিকে রাসেল-নাসরিনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় ইভ্যালির ভুক্তভোগী অর্ধশতাধিক গ্রাগক বিক্ষোভ করছিল।
ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেলের বাসায় অভিযানের খবর পেয়ে বেশ এসব গ্রাহক বাসার সামনে জড়ো জন। গ্রাহকদের কেউ কেউ বলছেন, রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হলে গ্রাহকরা আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে ই কমার্স প্রতিষ্ঠানের যেসব কর্ণধারদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত কেউই তাদের অর্থ ফেরত পাননি।
রাসেলকে গ্রেপ্তার পর এখন গ্রাহকদের পাওনা টাকা কে দেবেন, এমন প্রশ্ন করছেন গ্রাহকরা।
ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেয়ার জন্য ছয় মাস সময় চেয়েছেন। কিন্তু আইনশৃ্ঙ্খলা বাহিনী সেই সময় দেয়নি বলে অনেক গ্রাহক বলছেন।
সিরাজুল ইসলাম নামে এক গ্রাহক বলছেন, ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করলেও পরে গ্রাহকদের পাওনা টাকা নিয়ে কোনো ধরনের সমাধান আসে না। তাই ইভ্যালির মালিক রাসেল ৬ মাস সময় চেয়ে ছিল তাকে সময় দেওয়া দরকার ছিল।
রেদোয়ান নামে একজন গ্রাহক বলেন, ‘ইভ্যালির রাসেলকে যথাযথ নজরদারির মধ্যে রেখে আরও কিছুদিন সময় দেয়া উচিত। একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে তাকে গ্রাহকদের টাকা ফেরত বা পণ্য দিতে বাধ্য করা যেতে পারে। তাকে ধরে নিয়ে গেলে গ্রাহকরা পণ্য বা টাকা কিছুই পাবে না।
