বিনোদন ডেস্ক- বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টার বয় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বর্তমানে আইসিসির ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে অলরাউন্ডার তালিকায় এক নম্বরেই আছেন তিনি। সদ্য শেষ হওয়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছিলেন সাকিব। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ঝলক দেখাচ্ছেন তিনি।
সব মাধ্যম মিলিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা মনে করা হয় সাকিব আল হাসানকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও তিনি বেশ জনপ্রিয়। ফেসবুকে বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রায় দেড় কোটি ফলোয়ার সাকিব আল হাসানের।
তবে এই মুহূর্তে ফলোয়ারের দিক থেকে সাকিব আল হাসানের কাছাকাছি চলে এসেছেন ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা পরীমণি। অর্থাৎ ফেসবুক ফলোয়ারের দিক থেকে সাকিব আল হাসানকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন ঢালিউডের এই সুন্দরী নায়িকা।
মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফেসবুক পেজে সাকিব আল হাসানের ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯০ হাজার ২০১। অন্যদিকে পরীমণির ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৪৪ লাখ ৮৫ জন।
তার আগে পরীমণি ফলেয়ার সংখ্যায় ছাড়িয়ে গেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের আরেক বড় তারকা, মিস্টার ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিমকে। এই উইকেট কিপার ব্যাটসম্যানের ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ২৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭১৯ জন।
গত কয়েক মাসে ফলোয়ার বাড়ার হারে সাকিবের চেয়েও এগিয়েছিলেন পরীমণি। জানা যায়, চলতি বছরের জুনের প্রথম দিকেও ‘স্বপ্নজাল’ নায়িকার ফলোয়ার সংখ্যা ছিলো ১ কোটি ১৭ লাখ। ৭ জুনের বোটক্লাব কাণ্ড ও ৪ আগস্ট র্যাবের হাতে আটক হয়ে বেশ আলোচনায় ছিলেন পরী। ফলে এই তিন মাসে তার ফলোয়ারও বেড়েছে অনেক।
এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত সাকিব আল হাসানকে কতটা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন পরীমণি? ফলোয়ার টাইগার অলরাউন্ডারকে ঢালিউডের সুন্দরী নায়িকা ছাড়িয়ে যেতে পারেন কীনা সেটাই এখন দেখার বিষয়!
প্রসঙ্গত, গেল বছরের ডিসেম্বরে এশিয়ার ডিজিটাল তারকার তালিকা প্রকাশ করে আমেরিকার প্রখ্যাত বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস। এতে ১০০ জন ‘এশিয়া-প্যাসিফিকস মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল সেলেব্রিটিস অন স্যোশাল মিডিয়া’র তালিকায় স্থান করে নেয় বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি।
ওই তালিকায় ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমার, শাহরুখ খান, মাধুরী দীক্ষিতসহ বেশ কয়েকজন বলিউড তারকার নাম। ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ঝড় তোলা এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এ রকম ১০০ জন কণ্ঠশিল্পী, ব্যান্ডশিল্পী, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পীকে এ তালিকায় রাখা হয়।





