Home ফিচার ৪ মাসের লকডাউন শেষে খুললো সবকিছু

৪ মাসের লকডাউন শেষে খুললো সবকিছু

0
113

নজর২৪ ডেস্ক- করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চার মাসের বিধিনিষেধ কিংবা লকডাউনের অবসান হচ্ছে আজ বুধবার। এ দিন থেকে আবারও সচল হচ্ছে দেশ। সড়কে নেমেছে বাসসহ গণপরিবহন। খুলবে বন্ধ সব অফিস আদালত, শপিং মল ও দোকানপাট।

 

গোটা দেশ সচল হলেও বন্ধ থাকছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের করোনার টিকার আওতায় এনে তবে খোলার কথা ভাবছে সরকার। বিনোদন আর পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার পাশাপাশি জনসমাবেশ, সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজনের ওপর থেকে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা।

 

গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয় এই বিধিনিষেধ। তারপর ধাপে ধাপে বাড়ানো হয় এটি। ১৪ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন চলার পর কোরবানির ঈদে পশুর হাটে বেচাবিক্রি ও ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আট দিনের জন্য শিথিল করা হয় লকডাউন।

 

কোরবানির ছুটি শেষে ২৩ জুলাই থেকে আবার শুরু হয় কঠোর বিধিনিষেধ।

 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিস্তারে মহামারীর নাজুক পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটলেও বুধবার থেকে প্রায় সব বিধি-নিষেধ উঠে যাচ্ছে, ফলে দুই-একটি ক্ষেত্র বাদে আবার চলাচল শুরু হবে।

 

লকডাউন তুলে দেওয়ায় ‘কিছুটা ঝুঁকি বাড়বে’ মানলেও অন্য কোনো উপায়ও দেখছেন না বলে জানান কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

 

তিনি বলেন, “লকডাউন তো সরকারের পক্ষে আজীবন দেওয়া সম্ভব না।”

 

এখন কী করতে হবে- প্রশ্নে স্বাস্থ্যবিধি মানার ‘অনেক জোর’ দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

 

“লকডাউনের কারণে অনেক মানুষ ঘরে ছিল, বাইরে বের হয়নি। সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি কিছু হলেও মানা গেছে। কিন্তু এখন তো আমরা সবাই বের হব। আমাদের মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ব মানার উপর খুবই জোর দিতে হবে।”

 

এক্ষেত্রে প্রশাসনের তৎপরতার উপর জোর দিয়ে ডা. শহীদুল্লাহ বলেন, “প্রশাসনকে তো এখন গাড়ি চেক করা, মানুষ কেন বেরিয়েছে- সেই কাজগুলো করতে হবে না। তাই মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে কি না, তাদেরকে সেই জায়গাগুলোতে তৎপর হতে হবে। সেটা দোকানপাটে হোক, রাস্তাঘাটে হোক, গণপরিবহনে হোক।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here