নজর২৪, নোয়াখালী- নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের (৫০) ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ৮ টায় বসুরহাট বাজারে ইসলামী ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা বাদলের ব্যক্তিগত গাড়িটিও ভাঙচুর করে।
বাদল সমর্থিতরা জানান, শনিবার সকালে মেয়র কাদের মির্জা তার ৩০-৪০ জন অনুসারী নিয়ে বসুরহাট বাজারে মহড়া দিচ্ছিলেন। এসময় বাদল ও সাবেক ছাত্রনেতা হাসিব আহসান আলাল ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তারা ইসলামী ব্যাংকের সামনে দাঁড়ালে আবদুল কাদের মির্জার নির্দেশে তার অনুসারীরা বাদল ও আলালের ওপর হামলা চালান।
এ সময় বাদলকে মারধর করলে তার কানের একটি অংশ ছিড়ে যায়। পরে একজন রিকশাচালক তাকে উদ্ধার করে প্রথমে থানায় নিয়ে যান, পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাদলকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এসময় হামলাকারীরা বাদলের ব্যক্তিগত গাড়িটিও ভাঙচুর করে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার পেশকারহাট রাস্তার মাথা, চরএলাহী ও চর ফকিরা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন।
আহত মিজানুর রহমান বাদল বলেন, সকালে মেয়র কাদের মির্জা তার ৩০-৩৫ জন অনুসারী নিয়ে বসুরহাট বাজারে মহড়া দিচ্ছিল। আমি এবং সাবেক ছাত্রনেতা আলাল ঢাকার উদ্দেশ্যে তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় কাদের মির্জার অনুসারীরা হামলা চালায় এবং গাড়ি ভাঙচুর করে। এতে আমরা আহত হই।
তবে এই হামলার সাথে নিজের এবং তার অনুসারীদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাদের মির্জা। বলেন, ‘আমি সকালে বসুরহাট বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি দেখতে যাই। এ সময় আমার সঙ্গে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষজন ছিল। পরিদর্শন শেষে আমি যথারীতি পৌরভবনে চলে আসি। কে বা কারা বাদলের ওপর হামলা করেছে, না কি এটা সাজানো নাটক তার কিছুই জানিনা।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তদন্তের পর বস্তারিত জানান যাবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
