Home দেশের খবর গণপরিবহন বন্ধ: রমরমা ব্যবসায় মেতেছে প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাস

গণপরিবহন বন্ধ: রমরমা ব্যবসায় মেতেছে প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাস

0
107

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা, বগুড়া প্রতিনিধি: করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন চলাচল। আর এই সুযোগে রমরমা ব্যবসায় মেতেছে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসসহ ছোট ছোট যানবাহনগুলো।

 

পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাসভাড়ার কয়েকগুণ বেশি টাকা খরচ করে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসে বাড়ি যাচ্ছে মানুষ।

 

আগে নন এসি বাসে ঢাকা থেকে বগুড়া ভাড়া ছিল সর্বোচ্চ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। বর্তমানে একই রাস্তায় প্রাইভেট কারে গেলে গুণতে হচ্ছে অন্তত ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। একটি প্রাইভেট কারে চালক বাদে বসতে পারেন চারজন। এতে করে মাথাপিছু ভাড়ার পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার টাকা।

 

সরেজমিনে শেরপুরের ধুনটমোড় এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা-বগুড়া হাইওয়েতে এখন সাড়ে সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকায় ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে প্রাইভেট কার। নোয়া গাড়ি ভাড়া ১৭ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। এই ভাড়া কেবল একমুখী অর্থাৎ শুধু যাওয়ার বা আসার ভাড়া।

 

কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আমরা ঢাকা থেকে বগুড়ায় একা আসার সময় সরাসরি গাড়ি নিতে পারিনি। হয় একাই যেতে হবে অথবা কয়েকজন মিলে একটি গাড়ি নিতে হবে। তাই তারা ৩ জন মিলে ঢাকা থেকে বগুড়ায় আসার জন্য সাড়ে ৭ হাজার টাকা দিয়ে প্রাইভেট কার ভাড়া করে। এতে জনপ্রতি ২ হাজার ৫শ টাকা করে পড়েছে।

 

ঢাকা থেকে বগুড়ায় আসা একটি নোয়া গাড়িতে দেখা যাচ্ছে, সেখানে গাদাগাদি করে ১২ জন যাত্রী নিয়ে যেতে, গুণতে হচ্ছে জন প্রতি সিটের ভাড়া ১ হাজার ৫শ টাকা।

 

জনৈক যাত্রী আকাশ জানান, বাস বন্ধ থাকায় প্রাইভেকার, মাইক্রোবাস চালক ও মালিকরা এই সুযোগে রমরমা ব্যবসা করছে। আমাদের বাড়িতে যেতে হবে ৩ গুন ভাড়া বেশি দিয়ে ঢাকা হতে বগুড়ায় যাচ্ছি।

 

মাইক্রোবাস চালক আবুল হোসেন জানান, ২৮ বা ২৯ রমজানে এই ভাড়া বেড়ে ঠেকবে তিন থেকে চার হাজার টাকায়। এত বেশি ভাড়া হলেও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে। এটা ব্যক্তিগত গাড়ি হিসেবেই রাস্তায় চলছে।

 

শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এ কে এম বানিউল আনাম বলেনে, ‘ভাড়ায় যাত্রী নেওয়া হচ্ছে এমন চোখে পড়লে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আর সরকারি প্রজ্ঞাপনে শুধু গণপরিবহন বন্ধ করা হয়েছে, ব্যক্তিগত গাড়ির বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

 

শেরপুর ট্রাফিক ফাড়ির ইনচার্জ ইয়াজদানি বলেন, ফ্যামিলিকারে পরিবারের লোকজন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা কম, তাই তা ইগনোর করা হচ্ছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here