নজর২৪, ঢাকা- ‘করোনা ভাইরাসকে বোঝা বড়ই মুশকিল, কখন কী রূপ ধারণ করে বোঝা যায় না’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘প্রায় চলে গিয়েছিল, সেই করোনা এখন ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। আমাদের আরও মনোযোগী হতে হবে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনেও ওপর। স্বাস্থ্যবিধি ও শতভাগ মাস্ক পরার কোনও বিকল্প নেই।’
রোববার (২ মে) সিলেট জোন, বিআরটিসি ও বিআরটএ’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভারতে আজকে কী অবস্থা, অক্সিজেনের জন্য হাহাকার। হাসপাতালে যাওয়ার আগেই মানুষ মারা যাচ্ছে। হাসপাতালের মধ্যেই অক্সিজেনের অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে। তাদের শ্মশান ও কবরস্থান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পার্কে পর্যন্ত মরদেহ দাহ করা হচ্ছে।
‘প্রতিবেশী ভারতের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বিপজ্জনক বার্তা দিচ্ছে। এই বার্তা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে।’
ভ্যাকসিনের জন্য উদ্বেগের কোনও কারণ নেই জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভ্যাকসিনের যে ঘাটতি পড়বে তা পূরণে ইতোমধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখুন। শেখ হাসিনার প্রতি বিশ্বাস রাখুন। আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলি এই দুঃসময় একদিন কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ।’
এসময়য় সেতুমন্ত্রী বলেন, গতকাল পদ্মাসেতুর মাওয়া প্রান্তে ভায়াডাক্টের সর্বশেষ গার্ডার স্থাপনের মধ্য দিয়ে পুরো সেতুর স্ট্রাকচারের কাজ শেষ হয়েছে। এ পর্যন্ত মূলসেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি শতকরা ৯৩ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশ। নদী শাসন কাজের অগ্রগতি শতকরা ৮৩ শতাংশ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৮৫.৫ শতাংশ। আগামী ২০২২ সালের জুন মাসে পদ্মাসেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
সিলেট বিআরটিএ-কে দুর্নীতির অনিয়ম থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।
