নজর২৪ ডেস্ক- গ্রেপ্তার নেতাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনে তথ্য পেয়েছে হেফাজতে ইসলাম। এটি মেনে নেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি। নেতাদেরকে রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগী করার সুযোগ করে দেয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক তাণ্ডব ও ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে নাশকতার মামলায় সংগঠনের গ্রেপ্তার করা ১১ নেতার মুক্তির দাবিতে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠায় হেফাজত।
এতে বলা হয়, ‘সরকার দেশে লকডাউন দিয়ে আলেম-উলামাদের হয়রানি করার নীলনকশা তৈরি করেছে। লকডাউনকে হাতিয়ার বানিয়ে গ্রেপ্তার আর হয়রানির এক মহোৎসবে মত্ত সরকার। এই গ্রেপ্তর তামাশা বন্ধ করুন। আমরা অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা শুনতে পাচ্ছি, গ্রেপ্তারকৃত নেতৃবৃন্দকে রিমান্ডে দিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। রিমান্ডে নিয়ে নেতৃবৃন্দকে নির্যাতন হেফাজতে ইসলাম মেনে নেবে না।’
আরও পড়ুন-
মধ্যরাতে হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ আমীন গ্রেফতার
নজর২৪, ঢাকা- হেফাজতে ইসলামের আরও এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২১ এপ্রিল) প্রথম প্রহরে হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে ধরে আনা হয় মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে।
এখান থেকেই গ্রেপ্তার হন হেফাজতের আলোচিত নেতা মামুনুল হক। আতাউল্লাহ আমীন মামুনুলের রাজনৈতিক দল খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব।
তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন ২০১৩ সালের না-শক-তার মামলার আসামি। তাকে আগামীকাল সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
এর আগে গত রবিবার হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে সংগঠনের শীর্ষ ১২ নেতা গ্রেপ্তার হলেন।
চলমান গ্রেপ্তার অভিযানের মধ্যে সমঝোতার আশায় সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠকের পর এ নিয়ে গ্রেপ্তার হলেন দুইজন।





