নিজস্ব প্রতিবেদক, নজর২৪- রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে আটক শিশু বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানির মুক্তি দাবি করেছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।
বুধবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যে তিনি দাবি জানান।
শনিবার (৩ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়াল রিসোর্টে মামুনুল হককে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ সহ অবরুদ্ধ করে রাখেন স্থানীরা। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। শুরুতে এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করেও সামলে উঠতে পারেননি তিনি। ফলে অনেকটা আড়ালে চলে গেছেন হেফাজতের প্রভাবশালী এ নেতা।
এরইমধ্যে ‘শিশুবক্তা’ মাওলানা রফিকুল ইসলামকে নেত্রকোণা থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) আটকের পর আজ দুপুরে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মামুমুল হক। সেখানে তিনি মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানির অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।

র্যাব যা বলছে
রফিকুল ইসলামকে আটকের বিষয়ে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (এএসপি) ইমরান খান বলেন, আজ (বুধবার) ভোরে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীকে নেত্রকোণার পূর্বধলা থেকে আটক করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলা হলে অবশ্যই থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে গত ২৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মোদিবিরোধী মিছিল থেকে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলামকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণায়, থাকেন গাজীপুরে। তিনি নেত্রকোণার পশ্চিম বিলাশপুর সাওতুল হেরা মাদরাসার পরিচালক। রফিকুল ইসলাম রাজধানীর বারিধারায় মাদানী এভিনিউয়ের পাশে অবস্থিত জামিয়া মাদানীয়া বারিধারা মাদ্রাসায় দাওরায়ে হাদিস পড়েছেন।
এছাড়া তিনি বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিকদল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের অঙ্গ সংগঠন যুব জমিয়তের নেত্রকোনা জেলার সহ-সভাপতি।





