নজর২৪, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার রয়েল রিসোর্টে হামলা চালিয়ে অবরুদ্ধ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ছাড়িয়ে নিয়েছেন কর্মীরা।
শনিবার (০৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রিসোর্টে হামলা চালিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নেন তারা। মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করা হয়েছে এ খবরে হাজারো হেফাজতের কর্মী মিছিল নিয়ে রিসোর্টে হামলা চালান। এ সময় রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর চালান তারা। এরপর তাকে উদ্ধার করে পাশের একটি মসজিদে নিয়ে যান কর্মীরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) তবিদুর রহমান বলেন, রিসোর্টে হামলা চালিয়ে মামুনুল হককে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যান হেফাজতের কর্মীরা। তাদের বাধা দিতে গিয়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে নারীসহ মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সঙ্গে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন মামুনুল হক।
মামুনুল হক অবরুদ্ধ এমন খবর শুনে সেখানে সন্ধ্যার পর জড়ো হতে থাকেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে রয়েল রিসোর্টে হামলা চালিয়ে মামুনুল হককে নিয়ে যান তারা।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোশাররফ হোসেন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামুনুল হককে থানায় নেওয়ার পথে রিসোর্টে হামলা চালান হেফাজতের কর্মীরা। পরে মামুনুল হককে নিরাপদে স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। সেখানে হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান হেফাজতের কর্মীরা। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক দাবি করেছেন, অবসরকালীন সময় কাটাতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে বেড়াতে এসেছেন। ওই নারীকে দুই বছর আগে বিয়ে করেছেন তিনি। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাকে তর্কবিতর্ক করতে দেখা যায়।





