সাইফুল ইসলাম মুকুল,রংপুর ব্যুরো: রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহর দূর্নীতির সেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যাবহার সহ বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত করতে রোববার ৩ সদস্যের দল বেরোবি ক্যাম্পাসে এসেছে।
তদন্ত করতে আসা কমিটির কমিটির প্রধান ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড, বিশ্বজিৎ চন্দ্রের নেতৃত্বে রোববার বেলা সোয়া বারটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত দীর্ঘ সাড়ে ৯ ঘন্টা তদন্ত শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করে চলে গেছে।
যাবার সময় তদন্ত টিমের প্রধান ড, বিশ্বজিৎ চন্দ সাংবাদিকদের জানান, ৩০ জনেরও বেশী কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ কর্তাদের সাক্ষ্য গ্রহন ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কবে নাগাদ তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন এটা সময় লাগবে তবে যত দ্রুত সম্ভব দেয়া হবে।
তদন্ত কমিটি উপ উপাচার্য অধ্যাপক শরীফা সলোয়া ডীনা, ট্রেজারার অধ্যাপক হাসিবুর রশীদ রেজিষ্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৩০ জন কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহন ও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
বেশীরভাগ কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য গ্রহন করা গেলে তাদের বিরুদ্ধে ও দু্র্ণীতির দালিলিক প্রমান সহ কাগজ দেখিয়ে তাদের বক্তব্য নিয়েছেন।
এদিকে তদন্ত চলাকালে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ছাত্ররীগ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তুষার কিবরিয়ার নেতৃত্বে সংগঠনের নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রশাসনিক ভবনে যান সেখানে তদন্ত কমিটি তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছিলো।
ছাত্র লীগ নেতা কর্মীরা উপাচার্যকে দূর্নিতীবাজ অনিয়মের হোতা আখ্যায়িত করে তাকে দ্রুত উপাচার্যের পদ থেকে বহিস্কারের দাবি জানিয়ে শ্লোগান দেয়। পরে তদন্ত কমিটি ছাত্রলীগের দুই নেতাকে ভেতরে ডেকে নিয়ে তাদের অভিযোগ শোনেন বলে জানা গেছে।
এর আগে বেলা সোয়া ১২টায় দুটি গাড়িতে করে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আসে তদন্ত কমিটি। তারা গাড়ি থেকে নেমে প্রশাসনিক ভবনের পেছনের গেট দিয়ে সিন্ডিকেট সভা কক্ষে যান।
সেখানে গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে কথা বলেন তদন্ত কমিটির আহবায়ক ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড, বিশ্বজিৎ চন্দ্র। তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক আবু তাহের।
তদন্ত কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন সিনিয়র সহকারী সচিব জামাল উদ্দিন এবং সহযোগীতা করছেন সিনিয়র সহকারী সচিব আমিনুল ইসলাম।





