নিজস্ব প্রতিবেদক, নজর২৪- জয়পুরহাট জেলা সদরের পাঁচবিবি এবং জয়পুরহাট সেকশনের ৮৪ নম্বর রেলগেটে শনিবার সকালে রাজশাহীগামী উত্তরা এক্সপ্রেসের ট্রেনের ধাক্কায় একটি বাসের ১২ যাত্রী মারা যান এবং প্রায় ১৫ জন আহত হন।
ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা এবং আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেছে জয়পুরহাট জেলা ছাত্র ইউনিয়ন।
ছাত্র ইউনিয়নের জেলা সভাপতি রিফাত আমিন রিয়ন ও সাধারন সম্পাদক তাসরিন সুলতানা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ভয়াভহ ট্রেন দুর্ঘটনার সময় লেভেল ক্রসিংয়ের গেট খোলা ছিল। এ সময় ঘুমিয়ে ছিলেন গেটম্যান নয়ন। গেটম্যান নয়নকে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগ। জয়পুরহাটের স্টেশন মাস্টার বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ দুর্ঘটনায় জিআরপি সান্তাহার থানায় অপমৃত্যুর মামলাও হয়েছে।
এ দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যবিশিষ্ট বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে প্রকৌশলী-২ মো. আব্দুর রহিম, পাকশী বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী লোকো আশিক কুমার মণ্ডল এবং পাকশী বিভাগীয় চিকিৎসা কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ। আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে এ কমিটি দুর্ঘটনা সম্পর্কিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
নেতৃবৃন্দ দাবি জানিয়ে বলেন, গেটম্যান নয়নকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে যারা এ দুর্ঘটনার সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় নিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারদের আর্থিক সহায়তাসহ নিহত ব্যাক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
আহতদের জন্য উন্নত চিকিৎসার ব্যাবস্থাসহ আহত ব্যাক্তি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাদের পরিবারের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের কোন পরিবার যদি অনাহারে দিন কাটায় তবে তার জবাব রাষ্ট্রকে দিতে হবে।
এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি রিফাত আমিন রিয়ন।





