প্রার্থনা ফারদিন দীঘি বাংলাদেশের একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও মডেল। তার বাবা সুব্রত চক্রবর্তী চলচ্চিত্র অভিনেতা এবং মা দোয়েল চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের আগে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনে অভিনয় করে সকলের নজরে আসেন দিঘী।
প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও আলোচনায় আসতে পারছেন না তিনি। আলোচনার বদলে তাকে নিয়ে হচ্ছে সমালোচনা।
এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ছটকু আহমেদ বলেন, ‘একজন নির্মাতা হিসেবে আমি মনে করি তাঁর ফেস কাটিং নায়িকাসুলভ নয়, তিনি শিশুশিল্পী হয়ে চলচ্চিত্রে এসেছিলেন এবং জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। তাঁর মধ্যে এখনো শিশুসুলভ ভাব রয়ে গেছে। তাই দর্শকের চোখে তিনি নায়িকা হিসেবে অ্যাডজাস্ট হতে পারছেন না। তাছাড়া নায়িকা হিসেবে তিনি নিজেকে জমাতে না পারার আরও কারণ রয়েছে।
যেমন- ভালো চরিত্র পাচ্ছেন না, টিকটক করে বদনাম হয়েছে তাঁর, টিকটকের কারণে দর্শকের মনে তাঁর সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, অনেক সিনিয়র নির্মাতার সঙ্গে তাঁর দুর্ব্যবহার- এমন অনেক কারণেই তিনি নায়িকা হিসেবে নিজেকে জমাতে ব্যর্থ হয়েছেন। আমি বলব শুধু রূপ-লাবণ্য দিয়ে সফল হওয়া যায় না। গুণটা আসল। তাঁকে নায়িকা হিসেবে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াতে হলে চলচ্চিত্র ও চরিত্রের প্রতি মনোযোগী হতে হবে এবং এসবের সঙ্গে মিশে যেতে হবে।’
২০০৬ সালে শিশুশিল্পী হয়ে চলচ্চিত্রে আসা দীঘি কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘কাবুলিওয়ালা’ সিনেমায় প্রথম অভিনয় করেন। ২০২১ সালে ‘তুমি আছো তুমি নেই’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রী হিসেবে পুনরায় চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। প্রথম সিনেমাতেই নায়িকা হিসেবে সাড়া জাগাতে ব্যর্থ হন এই নায়িকা।
এরপর একই বছর তাঁর অভিনীত ‘টুঙ্গীপাড়ার মিয়াভাই’, ২০২২ সালে ওয়েব ফিল্ম ‘শেষ চিঠি’ মুক্তি পায়। ‘টুঙ্গীপাড়ার মিয়াভাই’ সিনেমায় সাড়া না মিললেও ওয়েব ফিল্ম ‘শেষ চিঠি’তে তাঁর পারফর্মেন্স বেশ সাড়া ফেলে।
