Home ফিচার দেশ রক্ষায় সব প্রস্তুতি থাকতে হবে: তিন বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী

দেশ রক্ষায় সব প্রস্তুতি থাকতে হবে: তিন বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী

0
124

যুদ্ধ জয় থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে নৌবাহিনীর মিডশিপম্যান এবং ডিরেক্ট এন্ট্রি অফিসার-বি (ডিইও) ব্যাচের শীতকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত স্পষ্ট। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যে পররাষ্ট্রনীতি আমাদের দিয়ে গেছেন—সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করব না। আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখেই চলব। আমরা একটি স্বাধীন দেশ। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি থাকতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, যদি কখনো খোদা না করুক, যদি বহিঃশত্রুর আক্রমণ হয়, সেটা যেন আমরা প্রতিহত করতে পারি। আর যেকোনো যুদ্ধে যেন জয়ী হতে পারি, সেভাবে আমাদের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, সেনাবাহিনী- সব বাহিনী, অর্থাৎ সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন, আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে আমি প্রতিষ্ঠিত করতে চাই এবং প্রশিক্ষণকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিই।

নতুন কমিশন পাওয়া নৌ বাহিনীর তরুণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নৌবাহিনীর আপনারাই কান্ডারি। স্বাধীনতা রক্ষা ও দুর্যোগে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। আমি চাই নবীন অফিসাররা এ বিষয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে। সব সময় সুশৃঙ্খল থাকতে হবে।

‘একই সঙ্গে অভিভাবকদের অভিনন্দন জানাই। সন্তানদের দেশ মাতৃকার সেবায় নিয়োজিত করেছেন। আজ কমিশন পেয়েছেন, এ জন্য আপনাদেরও অভিনন্দন জানাই।’

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা ৯৬ সাল থেকেই নৌ বাহিনীকে আধুনিক করার কাজ করি। ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণোয়ন করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। মোট ৩৬ টি যুদ্ধ জাহাজ নৌ বাহিনীতে যুক্ত করি। এভিয়েশন উইং স্থাপন করি। দুটি সাবমেরিন যুক্ত করার মাধ্যমে নৌ বাহিনী তৃমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়।

‘আমরা নিজেদের জাহাজ নিজেরাই তৈরি করছি। নৌ বাহিনী ক্রেতা বাহিনী থেকে নির্মাতা বাহিনীতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’

নৌ বাহিনীর প্রশংসা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘অনেক ঝুঁকিপূর্ণ জায়গয় নৌ বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। কর্ণফুলী টানেলের নিরাপত্তার দায়িত্ব নৌ বাহিনীর হাতে দেয়া হয়েছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here