Home আলোচিত ক্ষমতা ব্যবহার করলে আগেই অনেক কিছু করতে পারতাম: নিপুণ

ক্ষমতা ব্যবহার করলে আগেই অনেক কিছু করতে পারতাম: নিপুণ

0
188

গত ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) অনুষ্ঠিত হয় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচন। ভোটে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক পদে অভিনেতা জায়েদ খান।

নির্বাচনে দু’টি প্যানেল অংশ নেয়। একটিতে সভাপতি পদে ছিলেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক পদে নায়িকা নিপুণ। অপরটিতে সভাপতি পদে ছিলেন মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান।

এদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান নির্বাচিত হলেও ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অভিনেত্রী নিপুণ। বিষয়টি একপর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তবে এখনো পদটির বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি আদালত।

আদালত থেকে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদকের পদটির ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসলেও পদটির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন নিপুণ। বিভিন্ন সময় সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং সংগঠনের পরিচয়পত্রে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাকে দেখা যায়।

সম্প্রতি পদটির বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসার আগেই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে নিপুণ জানিয়েছেন, তার আইনজীবীর অনুমতি নিয়েই জায়গাটিতে বসেছেন তিনি।

নিপুণ বলেন, আইনজীবীরা আইনের বিষয়টি ভালো জানেন। জেনেবুঝেই হয়তো আমাকে এই অনুমতি দিয়েছেন। আমার পক্ষে মহামান্য আদালতের যে রায় আছে, সেই অনুযায়ী আমি এই পদে বসেছি। আর যদি বিষয়টি অবমাননা করে পদে বসতাম, তাহলে এত দিনে নিশ্চয়ই আদালত আমাকে সতর্ক করতেন, ব্যবস্থা নিতেন। আমার প্রতিপক্ষ কিন্তু এ ব্যাপারে আমার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগও করেছিলেন। আমি যদি এখানে অনিয়ম করে বসি, আমারও তো অসম্মান এটি। সুতরাং আমি নিয়মের মধ্যে থেকে এখানে বসে কাজ করছি।

কেউ কেউ বলেন, নির্বাচন ও নির্বাচন–পরবর্তী সময়ে উচ্চপর্যায়ের এক প্রভাবশালীর প্রভাব ব্যবহার করেছেন নিপুণ। এ বিষয়েও জবাব দিয়েছেন নায়িকা। বলেন, যদি তাই হতো তাহলে তো নির্বাচন ও নির্বাচন–পরবর্তী অনেক কিছুর জন্যই আমাকে এত এত ফাইট করতে হতো না, কষ্ট করতে হতো না। এ ধরনের প্রভাবশালীর ক্ষমতা যদি আমি ব্যবহারই করতাম, নির্বাচনের আগেই অনেক কিছু করতে পারতাম। আপনারা নির্বাচনের দিন মাঠে দেখেছেন, আমি কী কষ্ট করেছি। ভোটের দিন একটি পক্ষের চক্রান্তে আমাদের প্যানেলের খাবার ও পানি পর্যন্ত এফডিসিতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একটা পর্যায়ে খাওয়ার পানিটা পর্যন্ত পাচ্ছিলাম না। যত রকমের মানসিক অত্যাচার আছে, আমার ওপর সবই করা হয়েছে। নির্বাচনের পর আদালতে দৌড়াদৌড়িতে কম কষ্ট হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here