রাজিব আহমেদ রাসেল, স্টাফ রিপোর্টার: সিরাজগঞ্জে মাহমুদা খাতুন নামে ৭ বছরে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পুকুরের পানিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১৫ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চল মহিষাহাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু মাহমুদা ওই গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে।
শিশুটির ভাই কবিরুল ইসলাম ও মামা ইসমাইল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বিকেল তিনটা থেকে মাহমুদা নিখোঁজ ছিল। পুরো গ্রাম তন্ন তন্ন করে তাকে খুঁজেও পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সকালে পুকুরের মধ্যে হাঁটু পানিতে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে আমরা উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে এসে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।
তারা আরও বলেন, নিহত মাহমুদার দুটি হাতই ভাঙা, নাক দিয়ে রক্ত আসছে। তাকে কেউ ধর্ষণের পর হত্যা করেছে।
সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এরই মধ্যে জানতে পেরেছি নিহতের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। পরে হাসপাতালে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে। রিপোর্ট তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, শিশুটির নাক দিয়ে রক্ত আসছে। তবে ধর্ষণের আলামত রয়েছে কিনা সেটা পরে জানা যাবে।





