Home দেশের খবর ঢাকা ভূঞাপুরে উদীচীর বর্ষবরণের প্রস্তুতি

ভূঞাপুরে উদীচীর বর্ষবরণের প্রস্তুতি

0
147

তৌফিকুর রহমান, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

বাজেরে বাজে ঢোল আর ঢাক
এলো রে পহেলা বৈশাখ
আজ কৃষ্ণচূড়ার ডালে
ঢেকেছে লালে লালে
সেই রঙ হৃদয়ে ছড়াক…’

গানের মতো করেই রাত পোহালেই আসছে বাঙালির সবচেয়ে বড় সার্বজনীন উৎসব বাংলা নববর্ষ। নতুন বাংলা বছরকে স্বাগত জানাতে ১৪২৯ বঙ্গাব্দের পহেলা বৈশাখে আনন্দে মাতবে সারাদেশ। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ভুঞাপুর শাখা সংসদের বৈশাখ বরণের প্রস্ততি চলছে।

আর বর্ষবরণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আনুষ্ঠানিকতা হলো সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ভূঞাপুর আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রা।

করোনা ভাইরাস মহামারি কারণে গত দুই বছর নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় ভূঞাপুরে রাজপথে নামবে মঙ্গল শোভাযাত্রায়। ভূঞাপুর উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর কার্যালয় ঘুরে দেখা যায়, মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতির কর্মযজ্ঞে ব্যস্ত বিভিন্ন বিভাগের কলাকুশলীরা।

এবার মঙ্গল শোভাযাত্রার এসব কর্মযজ্ঞের দায়িত্বে রয়েছে নাচ, গান, নাটক বিভাগের সদস্যরা। জলরঙ ও অ্যাক্রেলিকে বিভিন্ন আকার ও রকমের চিত্রকর্ম আঁকছেন তারা। পাশেই আরেক দল সরাচিত্র নিয়ে। মাটির সরায় নানা রঙে কেউ ফুটিয়ে তুলছেন মাছ-ময়ূর-পাখির মুখ, কেউবা আঁকছেন ফুল-লতাপাতাসহ নানা মোটিভ। সেসঙ্গে রয়েছে হাতপাখা আর চড়কি।

অন্যদিকে মাঠের মধ্যে বাঁশ দিয়ে কিছু তৈরি করার চেষ্টা করছে উদীচীর শিশু শিল্পী নিধি, অন্তি, হৃত্তিকা বসাক।
এছাড়াও তারা তৈরি করছেন হাতপাখা, চড়কিসহ আরও কিছু বৈশাখী অনুষঙ্গ।

এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রাটি স্বাধীনতা কমপ্লেক্স থেকে শুরু করে উপজেলা চত্তর থেকে সম্মিলিতভাবে ভূঞাপুর বাজার, ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজ প্রদক্ষিণ করে আবার উপজেলায় গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রাটি সকাল আটটায় শুরু হবে।

এ বিষয়ে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক হাসান সরোয়ার লাভলু বলেন, মাহে রমজানরর পবিত্রতা রক্ষায় এবার ঢাক ঢোল বাজবে না। তবে বাঙ্গালীর সংস্কৃতিকে তুলে ধরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, কবিতা আবৃতি, নৃত্য, আলোচনা, এবং সবশেষে বৈশাখী আদলে ইফতারের আয়োজন করা হবে।

ভূঞাপুর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জলিল আকন্দ বলেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আওতাধীন আমাদের ১০টি সংগঠন আছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের সাথে সম্মিলিতভাবে আনন্দ শোভাযাত্রা করবো।রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে আমরা কোন বাদ্যযন্ত্র বাজাবো না। তবে সবাই ভিন্ন ভিন্ন সাজে সাজবে। বাঙ্গালীর ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তুলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here