নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: ব্যবসা জীবন শুরু করেন মুদি দোকান দিয়ে, কোনো কিনারা না করতে পেরে চলে যান কৃষি পেশায় এবং সেখানেও মন টেকাতে না পারায় অবশেষে নিজেকে জড়িয়ে নেন ডিম ব্যবসায়।
সেই থেকে প্রায় ১ যুগ হতে চলছে, টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা রামচন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা বাতেন এখন পুরো নাগরপুর উপজেলায় জনপ্রিয় ডিম ব্যাবসায়ী। ডিম বাতেম নামে অধিক পরিচিত এই ব্যক্তি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে সফল ডিম ব্যবসায়ী হিসেবে।
পরিশ্রমী ও সফল এই ব্যবসায়ী মাত্র ২ হাজার ৭০০ শত পিস লেয়ার মুরগীর ডিম নিয়ে প্রায় ১২ বছর আগে ডিম ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে পাইকারি ও খুচরা মিলিয়ে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার পিস ডিম বিক্রি করেন এবং মাসিক আয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা।
ডিম ব্যবসা শুরু করেছিলেন কীভাবে জানতে চাইলে মোঃ বাতেন বলেন, আমি প্রথমে মুদি ব্যবসা এবং কৃষি কাজ করেছি কিন্তু ভিন্ন কিছু করার চিন্তা ছিলো। কেউ করে নাই এমন ব্যবসা করার চিন্তা আসতেই ডিমের কথা মাথায় আসে এবং সাটুরিয়া দরগ্রাম এলাকার দোকানে থেকে ডিম ব্যবসার প্রাথমিক সব কিছু জেনে এসে নাগরপুর সদর বাজারে ডিম দোকান দেই।
২০০৮ সালে ২৫ হাজার টাকা মূলধন নিয়ে ডিম ব্যবসা শুরু করি। অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজ আমি বাতেন এই পর্যন্ত এসেছি। ডিম ব্যবসা প্রসঙ্গে অভিজ্ঞ এই মহাজন আরো জানায়, ডিম ব্যবসায় আমাদের নাগরপুরে তেমন সিন্ডিকেট নেই। যে কেউ সরাসরি ডিম ব্যবসায় আসতে পারে ও সম্প্রসারণ করতে পারে। তবে নাগরপুরে ডিম ব্যবসায় মালিক সমন্বয়ে একটি সমিতি হওয়া ব্যাপক প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। একটি সমিতি থাকলে বিক্রেতা এবং ক্রেতা উভয়ই সুবিধা পাবে।
প্রতিবেশী পাইকারি ব্যবসায়ী আতোয়ার রহমান বলেন, বাতেন ভাই অনেক পুরাতন ব্যাবসায়ী। তিনি বাজারে এখনো যথেষ্ট প্রভাব নিয়ে টিকে আছেন। সততা ও নিষ্ঠার ফলে পুরো নাগরপুরে তিনি অন্যতম ডিমের পাইকার হিসেবে আজ সুপ্রতিষ্ঠিত।
নাগরপুরে ডিম বিক্রি একটি লাভজনক ব্যবসায় খাত। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ খাতকে একটি সম্ভাবনাময় খাতে রূপ দেওয়া সম্ভব বলেও মনে করেন প্রবীণ ব্যবসায়ী বাতেন।





