Home আলোচিত বুধবার সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে হেফাজতে ইসলাম

বুধবার সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে হেফাজতে ইসলাম

0
115

নজর২৪, ঢাকা- হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির শাহ আহমদ শফীকে ‘মানসিক নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে’ হত্যার অভিযোগ এনে বর্তমান কমিটির কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে মুখ খুলতে যাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম।

 

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে বুধবার সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে সংগঠনটি। এদিন সকাল ১১ টায় হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

 

মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে হেফাজতের বর্তমান কমিটির প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

 

তিনি জানান, এ সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যু অস্বাভাবিক দাবী করে চট্টগ্রাম আদালতে ৩ ডজন হেফাজত নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা ও সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়ে কথা বলবেন নতুন কমিটির নেতারা।

 

এতে হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ সংঠনটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

 

প্রসঙ্গত, হেফাজতের প্রয়াত আমীর আল্লামা শফীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে হেফাজতের বর্তমান কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এই মামলা আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় হেফাজতে ইসলামের সর্বোচ্চ নেতা ও হাটহাজারী মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের পরিচালক আহমদ শফী মারা যান। তার আগের দিন শফীর অব্যাহতি এবং তার ছেলে মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক আনাস মাদানির বহিষ্কার দাবিতে মাদ্রাসায় বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।

 

সেই দ্বন্দ্বের জেরে ১৭ সেপ্টেম্বর শূরা কমিটির বৈঠকে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মহাপরিচালকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন ‘বড় হুজুর’ শফী। ওই বৈঠকে শফীর ছেলেসহ দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে হাটহাজারী বড় মাদ্রাসায় দৃশ্যত আহমদ শফীর সুদীর্ঘ দিনের কর্তৃত্বের অবসান ঘটে।

 

সেই বৈঠকের পরপরই আহমদ শফীকে মাদ্রাসা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হলে পরদিন তিনি মারা যান।

 

সেদিনই ঢাকায় সাংবাদিকদের শফীপুত্র আনাস মাদানি বলেছিলেন, আগের দিনের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনার কারণে ‘টেনশনের’ কারণে ‘হার্টফেইল’ করে তার বাবা মারা গেছেন।

 

পরে নেতৃত্বের প্রশ্নে হেফাজতে ইসলামী বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং একাংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জুনাইদ বাবুনগরী আমিরের পদে আসেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here