এই মুহূর্তে ফুটবল জ্বরে কাঁপছে পুরো বিশ্ব। কাতার বিশ্বকাপ মাঠে গড়িয়েছে রোববার (২০ নভেম্বর) রাত ৮টায়। চলবে (১৮ ডিসেম্বর) পর্যন্ত। শুধু কাতার নয়, জাতিসংঘের সদস্য ভুক্ত ১৯৩টি দেশে চলছে বিশ্বকাপ উন্মাদনা।
পিছিয়ে নেই বাংলাদেশিরাও। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাসহ বিভিন্ন দেশের পতাকা আর জার্সিতে নিজেদের রাঙিয়ে তোলেন এ দেশের সমর্থকরা। অনেক আগে থেকেই অন্যান্য দেশের মতোই বাংলাদেশেও নানা উন্মাদনা বেশি থাকে এই বিশ্বকাপ খেলাকে কেন্দ্র করে।
বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশি তারকাদের মধ্যেও রয়েছে বেশ উত্তেজনা। আর তাইতো ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী জানালেন তার পছন্দের দল ও ফুটবল খেলা নিয়ে ভাবনার কথা।
সংবাদমাধ্যমকে ওমর সানী বলেন, একটা সময় আমি ঢাকা স্টেডিয়ামে ফুটবলের নিয়মিত দর্শক ছিলাম। শুধু ছিলাম বললে ভুল হবে, অন্ধ সমর্থক ছিলাম ফুটবলের। সে কি উল্লাস-উদ্দীপনা আবাহনী ও মোহামেডানের খেলাকে কেন্দ্র করে। সিনেমায় যদি নিয়মিত না হতাম বোধ হয় দর্শকরা ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে আমাকে আবিষ্কার করতেন।
তিনি বলেন, আমার পুরো পরিবার ব্রাজিল সমর্থক। এই দল খুবই শৈল্পিক খেলা উপহার দেয়। ব্রাজিলের সাম্বা নৃত্যও সারা বিশ্বকে বিমোহিত করে। তেমনি নেইমার তার পায়ের জাদু নিয়ে বিশ্বকাপকে মুখরিত করে তুলবে। ফুটবলের রাজা পেলে, রোনালদিনহো, কাকা, রোনাল্ডোরা চমৎকার ফুটবল খেলা উপহার দিয়েছেন। এবার বিশ্বকাপে নেইমার, ভিনিসিউস জুনিয়র, রিচার্লিসন তাদের খেলার জাদুতে সারা বিশ্বকে মাতোয়ারা করবে।
সানী বলেন, আমরা পুরো পরিবার একসঙ্গে বিশ্বকাপের খেলা উপভোগ করবো। আমি এর সঙ্গে যুক্ত করে আমার দর্শকদের প্রতি অনুরোধ করবো আর্জেন্টিনার সমর্থকদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে। বিশ্বকাপকে ঘিরে যেন সমর্থকদের মাঝে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা না ঘটে।
এ অভিনেতা বলেন, ব্রাজিলের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে অবশ্যই আমি বিশ্বকাপ ২০২২ এর ট্রফি পেতে চাইবো। ব্রাজিলের হাতেই কাতার বিশ্বকাপের ট্রফি শোভা পায়। আমার একমাত্র পুত্রবধূ ভাগ্যক্রমে ব্রাজিল সমর্থক। এই কারণেই পুরো পরিবার আনন্দিত। বৌমাকে নিয়ে টেনশনে ছিলাম সে যদি আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে যায়! ইতিমধ্যে পুরো পরিবারের জন্য জার্সি কেনা হয়েছে।
