পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে উঠা অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর রোববার (৩ এপ্রিল) ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় ইমরান খানের এ ভাগ্যনির্ধারণী অধিবেশন শুরু হবে।
এদিকে, দেশটির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে আস্থা ভোটের প্রাক্কালে ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। খবর ট্রিবিউন এক্সপ্রেস ও জিও নিউজের।
জোট সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি শরিক দল বিরোধী শিবিরে যোগ দেওয়ায় পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় ক্ষমতাসীন দল। বিরোধী দলগুলোর আইনপ্রণেতার সংখ্যা বেড়ে যায়। অনাস্থা প্রস্তাব পাসে বিরোধীদের প্রয়োজন ১৭২ ভোট। তাদের প্রতি ১৯৯ আইনপ্রণেতার সমর্থন আছে বলে জিও নিউজের প্রতিবদেনে বলা হয়েছে।
ট্রিবিউন বলছে, কোণঠাসা হয়ে পড়া ইমরান খান এখনো আত্মপ্রত্যয়ী। শেষ মুহূর্তে ফলাফল পাল্টে দেবেন বলে জোর দিয়ে বলছেন তিনি। দলীয় আইনপ্রণেতাদের অধিবেশনে যোগদান না করার আগের নির্দেশনা থেকে সরে এসেছেন তিনি। বিতর্কে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সোচ্চার অবস্থান নিতে তিনি দলীয় আইনপ্রণেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে, ইমরান খান শনিবার (২ এপ্রিল) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়েছেন। এ ঘোষণার পরই রাস্তায় অবস্থান নেন তেহরিক-ই ইনসাফের শতাধিক কর্মী।
গত মাসে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির ২০ জন এমপি পদত্যাগ করলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় তার দল। যার ওপর ভিত্তি করে গত ২৮ মার্চ বিরোধীদলের নেতা শাহবাজ শরীফ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সেদিন স্বল্প সময়ের অধিবেশনে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বিতর্কের অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর অধিবেশন ৩১ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ ইমরানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বিতর্কের জন্য অধিবেশন শুরু হয়। কিন্তু বিরোধীদের হট্টগোলে কয়েক মিনিট পরই অধিবেশন ফের রোববার (৩ এপ্রিল) পর্যন্ত মুলতবি করেন ডেপুটি স্পিকার কাশেম সুরি।





