Home প্রবাসের কথা মালয়েশিয়ায় সুপারশপের পণ্য লুটের দায়ে ৭ বাংলাদেশি গ্রেফতার

মালয়েশিয়ায় সুপারশপের পণ্য লুটের দায়ে ৭ বাংলাদেশি গ্রেফতার

0
504

নজর২৪ ডেস্ক- গত ৪ দিন আগে মালয়েশিয়ায় হয়ে গেল স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা। এতে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতিসহ সারাদেশে মারা গেছে অন্তত ১৪ জন।

 

টানা ২৪ ঘন্টার বৃষ্টির পানিতে দেশটির ১৩টি রাজ্যের মধ্যে ৯টি রাজ্যেই বন্যায় প্লাবিত হয়। এসময় বন্যার পানি দেশটির শাহআলম নামক এলাকার অন্যতম চেইন সুপারশপ মাইডিন এ ঢুকে পড়ে। বুক সমান পানিতে সুপারশপের পন্য ভেসে যায়।

 

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একদল মানুষ এই মাইডিন এর মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বাংলাদেশি ৭ জন প্রবাসীসহ বিভিন্ন দেশের ৩১ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।

 

বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের ভেরিফায়েড ফেইসবুকে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

 

আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশের ৭ জন, ইন্দোনেশিয়ার ১০ জন, নেপালের ৯ জন ও মায়ানমারের ৫ জন অভিবাসী রয়েছে।

 

শাহ আলম জেলা পুলিশের প্রধান সহকারী কমিশনার বাহারুদ্দিন মাত তৈয়ব জানান, জেলা পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (আইপিডি) তাদেরকে গ্রেফতার করেছে।

 

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “দণ্ডবিধির ৪৫৭ ধারা অনুযায়ী মামলাটি তদন্ত করা হবে।”

 

তবে আটককৃতদের দাবি, টানা ২৪ ঘন্টার বৃষ্টিতে চারদিকে বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। তাদের খাবার ফুরিয়ে গিয়েছিল এবং বন্যার কারণে আশেপাশে খাবারের দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই তারা খাবারের জন্য মাইডিনে ছুটে গিয়েছিল।

 

মাইদিন মোহাম্মদ হোল্ডিংস বেরহাদ (মাইদিন), দাতুক উইরা-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আমির আলী মাইদিন বলেছেন, তারা বেঁচে থাকার অজুহাতে এই কাজ করেছে।

 

পুলিশ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় চুরি বা লুটতরাজ করার কোন সুযোগ নেই। যদি এই ধরণের কর্মকাণ্ড কেউ করে থাকে তাহলে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা হবে।

 

এর আগে, এই ঘটনার সমন্বিত একটি ১১ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট ভাইরাল হয়েছিল।

 

তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন এই ঘটনা এমন ব্যক্তিদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে যারা মারাত্মক বন্যার কারণে খাদ্য সরবরাহ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি দোকানে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here