Home প্রধান খবর বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশের প্রতিবেদন, নারাজি মুনিয়ার বোনের

বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশের প্রতিবেদন, নারাজি মুনিয়ার বোনের

0
147

নজর২৪ ডেস্ক- বহুল আলোচিত কলেজছাত্রী মুনিয়ার ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনার’ মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশের দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের শুনানি শেষ হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) সকালে মামলার বাদী মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া আদালতে হাজির হয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে নারাজি আবেদন দাখিল করেছেন।

 

তার দাবি অনেক কিছুই প্রতিবেদনে উল্লেখ করেনি পুলিশ। অটোপসি রিপোর্ট দেখেনি অথবা গুরুত্ব দেননি তারা। তদন্তে কী পাওয়া গেলো তা নিয়ে বাদীর সঙ্গে আলাপ আলোচনাও করেনি বলে জানান তিনি।

 

অন্যদিকে পুলিশের দাখিল করা নথি পর্যালোচনা করে পরে আদেশ দেবেন, এমনটিই জানিয়েছেন আদালত।

 

গত ২৯ জুলাই এ মামলায় পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানির তারিখ ধার্য ছিল। তবে, করোনা পরিস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেদিন এ বিষয়ে শুনানি হয়নি। আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হলে রোববার প্রথম কার্যদিবসেই মামলাটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়।

 

এ সময় বাদীপক্ষের আইনজীবীরা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করবেন মর্মে সময় চেয়ে আবেদন দাখিল করেন। সেই আবেদন মঞ্জুর করে বিচারক আজ মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, আমাদের না জানিয়েই শুনানির আয়োজন করা হয়েছে। নানাভাবে নানা নাটকিয়তার মধ্য দিয়ে আমাদের নথি উপস্থাপনের দরখাস্ত দিতে বলা হয়েছে। কয়েকবার বলার পর আমরা দরখাস্ত দিয়েছি। এরপর শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করেছি।

 

তিনি বলেন, যেহেতু নিয়মিত আদালত চলছে না, সে কারণে আদালত নিজেই একটা তারিখ ধার্য করে দিতে পারতেন। কিন্তু তা করেননি। আমরা নারাজি দেবো, জানিয়ে সময় আবেদন করি। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে ১৭ আগস্ট শুনানির তারিখ ধার্য করেছেন।

 

গত ১৯ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক আবুল হাসান।

 

মোসারাত জাহান মুনিয়া রাজধানীর একটি কলেজের ছাত্রী ছিলেন। ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যার পর গুলশান-২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলা করেন।

 

মোসারাত জাহান মুনিয়ার বাড়ি কুমিল্লা শহরে। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান। মেয়েটির পরিবার কুমিল্লায় থাকে। গুলশানের ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন মুনিয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here