নজর২৪ ডেস্ক- বীরত্ব আর শৃঙ্খলায় আধা-সামরিক বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রয়েছে ২২৭ বছরের ঐতিহ্য। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ বাহিনীর উজ্জ্বল ভূমিকা ছিল। বর্তমানে বিজিবি জলে, স্থলে ও আকাশপথের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপ নিয়েছে।
সীমান্ত রক্ষা, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার এবং মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ ছাড়াও অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্বের পরিচয় দিচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। বৈশ্বিক মহামারি করোনার মধ্যেও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে এবং সরকারি বিধিনিষেধ পরিপালনে রাজধানীসহ সারাদেশে কাজ করছে এ বাহিনী।
আধা-সামরিক এ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি সময়ের প্রয়োজনে বহুমুখী ভূমিকা ও দায়িত্বের কারণে বিজিবির কলেবর বাড়ছে। অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে বাড়ানো হচ্ছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আগামী পাঁচ বছরে নিয়োগ দেওয়া হবে আরও ১৫ হাজার সদস্য।
বিজিবির অগ্রগতি ও উৎকর্ষতা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বিজিবিকে একটি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। ইতোমধ্যে সাংগঠনিক কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন এনে বিজিবিকে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে উন্নীত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, স্মার্ট বর্ডার ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে সীমান্তে নতুন বিওপি, বিএসপি নির্মাণসহ অত্যাধুনিক সার্ভেইলেন্স ইকুইপমেন্ট স্থাপন, এটিভি ও অত্যাধুনিক এপিসি, রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকেল, ভেহিকেল স্ক্যানার ও দ্রুতগামী জলযান সংযোজন করা হয়েছে। সম্প্রতি এ বাহিনীতে অত্যাধুনিক অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড ওয়েপন সংযোজিত হয়েছে। বিজিবির প্রশিক্ষণ কর্মকাণ্ডের কলেবর বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে চুয়াডাঙ্গায় আরেকটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিবিকে আধুনিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। এর প্রতিফলনে বিজিবি এখন ত্রিমাত্রিক বাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় বিজিবির সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আধুনিকায়ন হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে ১৫ হাজার জনবল অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং ভিশন ২০৪১-এর পরিকল্পনার আওতায় বিজিবির বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হবে।





