নজর২৪ ডেস্ক- আগাম টাকা নিয়েও ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট দুই মাস ধরে টিকা না পাঠানোয় সরকারকেই সরব হওয়ার কথা বলছে টিকা আমদানির দায়িত্বে থাকা একমাত্র প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।
টিকা কবে মিলবে জানা নেই স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নাজমুল হাসান পাপন জানান, ভারত যে বাংলাদেশের বন্ধু, সেটা এখন বিবেচনা করার সময় এসেছে। মিষ্টি কথায় সব চলবে না। ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিতে হবে।
শনিবার (২৪ এপ্রিল) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন।
এসময়য় পাপন বলেন, সরকার অগ্রিম যে টাকা দিয়েছে, সে অনুযায়ী টিকা দেবে না, তা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের স্পষ্ট ভাষায় বলা উচিত, অগ্রিম টাকা অনুযায়ী টিকা আমাদের দিতে হবে। দেড় কোটি ভ্যাকসিনের টাকা দিয়েছি। সেটা আটকানোর কোনো অধিকার সেরামের নেই।
বেক্সিমকো ফার্মার এমডি বলেন, কবে নাগাদ টিকা আসবে এটা বলা কঠিন, বলা যাচ্ছে না। তারা বলছে, আমাদের জন্য ৫০ লাখ ডোজ প্রস্তুত করে রেখে দিয়েছে। সরকারের অনুমতি পেলেই পাঠিয়ে দেবে। গত মাসে ৫০ লাখ ডোজ আসার কথা থাকলেও দিয়েছে ২০ লাখ, এ মাসেরটা তারা এখনও দেয়নি।
করোনার টিকার বিষয়ে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, টাকা নেওয়ার পর টিকা আটকানোর কোনো অধিকার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের নেই। দেড় কোটি ডোজ টিকার জন্য অগ্রিম টাকা দেওয়া হয়েছে। টিকা এসেছে ৭০ লাখ ডোজ। এখনও ৮০ লাখ ডোজ টিকা সেরাম ইনস্টিটিউট দেয়নি। সরকারের উচিত এই টিকার জন্য জোরালোভাবে বলা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সেরাম ইনস্টিটিউটের টিকা আনার ব্যাপারে এজেন্টের কাজ করছে বেক্সিমকো ফার্মা।
এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, সরকার বসে নেই। তৎপর হতে হবে বেক্সিমকোকেও। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, আমরা ভারত সরকারকে প্রতিনিয়ত বলছি ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য এবং তারা কখনো না করেনি। কিন্তু তারা দিতে পারছে না।
ভারতে হঠাৎ করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ভ্যাকসিন পেতে এই জটিলতা তৈরি হয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।





