Home জাতীয় সিরাজগঞ্জে যে সংঘাত হয়েছে, তা দুঃখজনক: ওবায়দুল কাদের

সিরাজগঞ্জে যে সংঘাত হয়েছে, তা দুঃখজনক: ওবায়দুল কাদের

0
118

নজর২৪, ঢাকা- পৌর নির্বাচনের পর সিরাজগঞ্জে যে সংঘাত হয়েছে, তা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের রোববার সকালে তার সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন।

 

ওবায়দুল কাদে বলেন, ‘বিএনপির আমলে নির্বাচন মানেই ছিল হানাহানি, সংঘাত আর প্রাণহানি। বর্তমান সরকারের সময় স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন ইউনিটে নির্বাচনে হানাহানি ও অস্ত্রের মহড়া বন্ধ হয়েছে। সিরাজগঞ্জে যে সংঘাত হয়েছে, তা দুঃখজনক। দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তাদের ভবিষ্যতে আরো কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ’

 

তিনি বলেন, নেতৃত্বের দুর্বলতা আর অস্বচ্ছ রাজনীতিই বিএনপিকে ভোটের রাজনীতি থেকে দিন দিন পিছিয়ে দিচ্ছে। তারা জনগণের কাছে ভোট না চেয়ে সরকারের অন্ধ সমালোচনা ও মিথ্যাচারকেই ব্রত হিসেবে নিয়েছে। যা প্রকারান্তরে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে দুর্বল করে তুলছে।

 

পৌরসভা নির্বাচনে যারা আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচন করে জয়লাভ করেছে, তাদের ভবিষ্যতে দলের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে আর বিবেচনায় আনা হবে না বলে হুশিয়ার করেন তিনি।

 

‘পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে যারা দলের সিদ্ধান্ত মানবে না এবং দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করেব, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

জয়-পরাজয় যাইহোক পরবর্তী নির্বাচনে তারা আর মনোনয়ন পাবে না, এটাই আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন ওবায়দুল কাদের।

 

শনিবার দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে জয় লাভ করা দলের মনোনীত প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিজয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও মানবিক নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়ার উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা ও সমৃদ্ধির বিজয়।

 

সেতুমন্ত্রী এ বিজয়কে গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার বিজয় বলেও মত প্রকাশ করেন।

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, নির্বাচন নিয়ে কথায় কথায় হতাশা প্রকাশ করে, গতকালের নির্বাচনে জনগণ তাদের ‘উদ্দেশ্যমূলক’ অপপ্রচারের জবাব দিয়েছে।

 

‘ভোটকেন্দ্র সরকারি দলের দখলে ছিল’ বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, তাহলে তাদের ৪ জন প্রার্থী কীভাবে বিজয়ী হলেন?

 

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি নেতারা মাঠে না গিয়ে ঘরে বসে শীত উদযাপন করেছেন। কর্মীরা ভোট দিতে চাইলেও মাঝদুপুরে ভোট বর্জনের সংস্কৃতি তাদের তাড়া করে।

 

৬০টি পৌরসভার মধ্যে ২৯ টিতে ইভিএম এবং ৩১ টিতে ব্যালটে ভোট হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইভিএমে জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিয়েছে। তাদের মধ্যে কোনো জড়তা ছিল না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here