নজর২৪ ডেস্ক: বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দুয়ারে দাঁড়িয়ে, তখনও একটি ‘অশুভ শক্তি’ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের ৪৯তম বার্ষিকীতে বুধবার সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি বলেছেন, ‘সাম্প্রদায়িক এই বিষবৃক্ষের’ মূলোৎপাটনই হবে এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার।
ভোর সাড়ে ৬টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে শুরু হয় বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। সেই সঙ্গে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শুরু হয় শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ভোরে সূর্যোদয়ের ক্ষণে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে। সকাল ৯টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দেন জ্যেষ্ঠ নেতারা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমাদের স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে এবার আমরা বিজয় দিবস উদযাপন করছি৷ এখনো এদেশে একটি মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতার আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে, একটি অশুভ শক্তি।
“এবারকার বিজয় দিবসের অঙ্গীকার হচ্ছে, আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এই সাম্প্রদায়িক শক্তিদের রুখব। একদিকে সাতচল্লিশের চেতনা, অন্যদিকে একাত্তরের চেতনা। একদিকে সাম্প্রদায়িকতা, আরেকদিকে অসাম্প্রদায়িকতা। আজকে আমাদের এ দুটি ধারা চলছে।
“আমাদের আজকের শপথ হবে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে, আজ সাম্প্রদায়িকতার যে বিষবৃক্ষ ডালপালা বিস্তার করেছে; সাম্প্রদায়িক সে বিষবৃক্ষকে আমরা সমূলে উৎপাটিত করব।”
ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমাদের যে শপথ, আমাদের যে আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, স্বাধীনতার আদর্শ- এই প্রশ্নে কোনো আপস আমরা করব না।”
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশকে বিনষ্ট করার যে আশা নিয়ে ঘাতকের দল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল, তাদের সে স্বপ্ন সত্যি হয়নি।
“যে স্বপ্ন দেখে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছিলেন জাতির পিতার নেতৃত্বে, সে স্বপ্ন নতুন প্রজন্ম তুলে নিয়েছে। তারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
