শিশু শিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রাঙ্গনে নাম লিখিয়েছিলেন দীঘি। একরত্তি বয়সেই অভিনয় দিয়ে মন জয় করেছিলেন সবার। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তবে বড় বেলায় এসে পর্দায় এখনো নিজেকে তিনি মেলে ধরতে পারেননি সেভাবে। যতটা না আলোচনায় থাকেন কাজের খবর দিয়ে তার চেয়ে বেশি থাকেন অন্যান্য বিষয়ে।
গত ২৬ অক্টোবর ছিল এই অভিনেত্রীর জন্মদিন। জীবনের বিশেষ দিনটি বেশ আয়োজনের মধ্যেই কাটে তরা। কাছের ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে কেক কেটে উদযাপন করেন দিনটি।
জীবনের বিশেষ দিনটি নিয়ে কথা বলার সময় দীঘি বলেন, অভিনেত্রী আনিকা কবির শখ আপুর জন্মদিন উদযাপনে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখি আমারও জন্মদিনের আয়োজন করা হয়েছে। তারপর থেকে আমার সারপ্রাইজ পাওয়া শুরু। ওখান থেকে রাতে কাজিনের বাসায় যাই। সেখানেই থাকি। সেখানে কাজিনরা জন্মদিনের সব আয়োজন করে।
এই অভিনেত্রী বলেন, এ পর্যন্ত অনেকগুলো কেক কেটেছি। এবার জন্মদিনে আমার নিজেকে গিফট করার মধ্যে সবচেয়ে বড় গিফট ছিল যে, আমি চার কেজি ওজন কমিয়েছি। এর মধ্যে আবার এক কেজি ওজন বেড়ে গেছে। কেননা, ইতোমধ্যে ছয়টি কেক কেটেছি, ফ্রিজেও তিনটি রয়েছে। বার্থডে কেকময়। চাইলেও আমাকে কেউ শুকাতে দেবে না।
দীঘি জন্মদিনের বিষয়ে কথা বলার সময় ছোটবেলা নিয়েও কথা বলেন। ছোটবেলায় মাকে নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করতাম। আমার মা নভেম্বরের ২ বা ৩ তারিখে অসুস্থ হয়। সেবারই ছিল মায়ের সঙ্গে, ফ্যামিলির সঙ্গে কোথাও গিয়ে শেষ জন্মদিন উদযাপন। এটা ছিল ২০০৯ সালে। তারপরে কখনোই আমার মাথায় আসেনি, বড় করে জন্মদিন উদযাপন করব।





