Home বিনোদন হিরো আলমকে আবৃত্তি শেখানো জবি অধ্যাপক যা বললেন

হিরো আলমকে আবৃত্তি শেখানো জবি অধ্যাপক যা বললেন

0
2704

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম আলোচিত হয়েছিলেন গানের মডেল হয়ে। এরপর সিনেমা বানানো ও গান গাওয়া শুরু করলেন। বিকৃত সুরে গান গাওয়ার জন্য পুলিশে পর্যন্ত যেতে হয়েছিল তাকে।

এবার সেই হিরো আলম কবিতা আবৃত্তি করবেন। মূলত একটি পোয়েট্রিক্যাল ফিল্ম নির্মাণ করা হবে, সেখানেই হিরো আলমের কণ্ঠে থাকবে কবিতা। আট মিনিট দৈর্ঘ্যের এই ফিল্মের কবিতা লিখেছেন অতিন্দ্র কান্তি অজু। ‘হাসিওয়ালা’ নামের পোয়েট্রিক্যাল ফিল্মটি তিনিই পরিচালনা করবেন।

এদিকে হিরো আলম হাসিওয়ালার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম জুয়েল (জুয়েল আদীব) এর কাছে কবিতা চর্চা করছেন।

মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম জুয়েল জানান, হিরো আলমের অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর চেষ্টার ফলে আজ সে দেশের ভাইরাল একজন অভিনেতা। তার ইচ্ছাশক্তি দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ। তার মুখে কিছু জড়তা লক্ষ্য করেছি ধীরে ধীরে সে তা কাটিয়ে উঠেছে। প্রায় দেড় মাস হলো সে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তার শিখার পেছনে কারণ হলো সে একটি ছবি নিয়ে কাজ করছে। সেখানে তার অতীত জীবনের গল্প নিয়ে কবিতাটি সাজানো হয়েছে। মূলত তাকে নিয়ে যারা হাসাহাসি করতো তাদের উদ্দেশ্য করেই কবিতাটি রচনা করা হয়েছে।

কবিতাটি ছিল এমন,
এসো দৈন্য নগরীর ধন্য দামাল
এসো আমায় নিয়ে একসাথে আজ হাসি
এসো রোদের পিঠে চড়ে তনুর তমাল
এসো একে একে সব সনদের বাশী
এসো? এসো আমায় নিয়ে
একসাথে আজ হাসি।

আমার আমিই যেনো পাপ!
প্রথমবারে, আমার দরজায়
কড়া নাড়ে, মায়ের নামে শাপ।
দ্বিতীয়বারে মেরুদণ্ডে
কড়া নাড়ে, কালো আলোর তাপ।

এ বিষয়ে হিরো আলম জানান, দর্শকদের ভালোবাসার কারণেই আমি এতদূর আসতে পেরেছি। দর্শকদের চাহিদার আলোকেই আমি আলাদা কিছু নিয়ে হাজির হচ্ছি, যা অন্যসব অভিনেতাদের থেকে আলাদা হবে। চেষ্টা করছি মিডিয়াকে নতুন কিছু দেওয়ার, সেই চেষ্টা থেকে আবৃত্তি শিখছি যা একসাথে আমার ছবি ও আমার ব্যক্তিগত কথাবার্তায় ও পরিবর্তন আনবে। দর্শকরা আমাকে যেভাবে সাপোর্ট দিয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবেই পাশে থাকবে বলে আশা রাখছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here