Home বিনোদন অভিষেকের মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় ক্ষমা চাইলেন প্রসেনজিৎ

অভিষেকের মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় ক্ষমা চাইলেন প্রসেনজিৎ

0
119

কোনও কোনও সকালে অন্ধকার নেমে আসে। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল তেমনি মেলে দুঃসংবাদ। প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়।

বুধবার মধ্যরাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে যান অভিনেতা। বুধবার রাত ১টা ৪০ মিনিট নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ‘একের পর এক মৃত্যু দেখছি আর প্রতিক্রিয়া দিয়ে চলেছি। কিন্তু অভিষেকের খবরটা সকালে শোনার পর এই প্রথম সংবাদমাধ্যমকে জানাচ্ছি, আজ আমি প্রতিক্রিয়া দিতে পারব না, আমাকে ক্ষমা করবেন’।

অভিষেকের সঙ্গে কাটানো মজার মুহূর্ত জানতে চাইলে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘ওর বিয়েতে বরকর্তা হয়ে গিয়েছিলাম। সেদিনটার কথা আজ মনে পড়ছে। ওর সঙ্গে যা কিছু ভালো স্মৃতি সেটাই রেখে দিতে চাই। এর বেশি ওর জন্য আমি আর কোনো শব্দ ব্যবহার করতে পারছি না।’

অতীতে প্রসেনজিৎ আর অভিষেকের অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল। বহু ছবিতে দুই তারকা একসঙ্গে কাজ করেছেন। পরস্পরের পারবিবারিক অনুষ্ঠানেও হাজির হতেন বলেই শোনা যায়। কিন্তু পরে এই সম্পর্কে ফাটল ধরে।

তবে অভিষেক নাম না করে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছিলেন প্রসেনজিৎ এবং ঋতুপর্ণার বিরুদ্ধেও। ভারতের সংবাদমাধ্যম এই সময় জানিয়েছে, ‘অপুর সংসার’ শিরোনামে একটি শোতে হাজির হয়ে অভিষেক বলেছিলেন, নোংরা রাজনীতির শিকার হতে হয়েছিল তাকে। নয় বছর হাতে কোনো কাজ ছিল না। বাধ্য হয়ে যাত্রা দলে যোগদান করেছিলেন তিনি।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ‘প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ এনেছিলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়।’ যদিও এই অভিযোগের কোনও জবাব কখনও দেননি প্রসেনজিৎ।

জানা গেছে, গত দশ-বারো দিন ধরে পায়ের শিরায় অসহ্য যন্ত্রণায় ভুগছিলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। তার মধ্যেই একটি বাংলা চ্যানেলে জিতের হোস্ট করা শো-তে নিয়মিত যাচ্ছিলেন। পারবারিক বন্ধু ও অভিনেতা কৌশিককে জানিয়েছিলেন একগাদা ওষুধ খেতে হচ্ছিল নিয়মিত। পরশু যন্ত্রণা আরও বাড়ে। তা স্বত্ত্বেও কাল ফ্লোরে যান। কাজ করতে পারেননি। চ্যানেলের লোকেরাই ধরাধরি করে বাড়িতে নিয়ে আসে। বাড়ির লোকের হাজার অনুরোধেও হাসপাতাল যেতে চাননি। বাড়িতেই অক্সিজেন আনা হয়। ওষুধ দেওয়া হয়। মাঝ রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে যান না ফেরার দেশে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here