হাইকোর্ট থেকে আজ রায় এসেছে জায়েদ খানই সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করবেন। রায় আসার পর আজ বুধবার (২ মার্চ) এফডিসিতে আসেন জায়েদ খান।
তিনি এফডিসিতে প্রবেশ করলেও শিল্পী সমিতিতে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। সমিতি তালাবদ্ধ থাকায় জায়েদ প্যানেলে নির্বাচন করে জয়ী হওয়া অরুণা বিশ্বাস, সুচরিতা ও জয় চৌধুরীরাও বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন।
অবশেষে সাড়ে ৭টার দিকে সমিতির চাবি এলে সবাইকে নিয়ে শিল্পী সমিতিতে প্রবেশ করেন জায়েদ খান।
জায়েদ চেয়ারে বসে বলেন, ‘অবশেষে সত্যের হয় হলো। আমার নামে অনেক ব্লেম দেয়া হয়েছে৷ অনেক মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে তারা। কিন্তু আইন সত্যের পক্ষেই সবসময়।
আমি সবাইকে পরামর্শ দেবো এসব ছেড়ে আসুন শিল্পীদের জন্য কাজ করি।’
এ সময় জায়েদ খানের সঙ্গে ছিলেন কালজয়ী অভিনেত্রী সুচরিতা, অরুনা বিশ্বাস, তরুণ চিত্রনায়ক জয় চৌধুরীসহ শিল্পী সমিতির কয়েকজন সদস্য।
সমিতির কার্যালয়ে প্রবেশের আগে জায়েদ বলেন, ‘আমি যদি হারতাম, তাহলে ফুল দিয়ে বরণ করে সুন্দরভাবে চলে যেতাম। শিল্পী সমিতির নির্বাচন মাত্র দুই বছরের ব্যাপার। এটা নিয়ে এত বাড়াবাড়ি করার প্রয়োজন নেই।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। এর প্রাথমিক ফলাফলে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন জায়েদ খান। তবে সেটা না মেনে আপিল করেন প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুণ।
এরপর জায়েদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন নিপুণ। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টে গড়ানোর পর বিষয়টির সুরাহা হয়েছে।
যদিও নিপুণ জানিয়েছেন, তিনি আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট নন। শিগগিরই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তিনি।





