নজর২৪, ঢাকা- সাভারে অবস্থিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ওয়্যারহাউস পরিদর্শন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির নতুন পরিচালনা কমিটির ৫ সদস্য।
সোমবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে সাভারের বলিয়ারপুর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন এলাকার ভাড়ায় পরিচালিত ইভ্যালির ওয়্যারহাউসটি পরিদর্শন করেন তারা।
কমিটির প্রধান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ওয়্যারহাউসে কিছু টেলিভিশন, কোমল পানীয়সহ ইলেকট্রনিক মালামাল রয়েছে। কিন্তু আমাদের জানানো হয়েছে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন গ্রেফতার হওয়ার পর এই ওয়্যারহাউস থেকে মূল্যবান মালামাল সরিয়ে ফেলা হয়।
তিনি আরও বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রতারিত গ্রাহক ও মার্চেন্টের স্বার্থ সুরক্ষায় নিবিড়ভাবে কাজ করছে হাইকোর্ট গঠিত নতুন পরিচালনা কমিটি। এখানে যারা টাকা লগ্নি করেছিলেন তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। চেষ্টা করছি, ক্ষতিগ্রস্ত এই মানুষের যতখানি সম্ভব স্বার্থসুরক্ষা করে তা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা।
এম সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, প্রতিষ্ঠানটির কোথায় কী সম্পদ রয়েছে ও সেগুলো কী অবস্থায় রয়েছে, সেসব সম্পদ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির দায়দেনা কতটুকু পরিশোধ করা যাবে ইত্যাদি বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছে বর্তমান কমিটি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইভ্যালি পরিচালনা পর্ষদের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) দায়িত্ব পাওয়া রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ওএসডি হওয়া অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন, সাবেক সচিব রেজাউল আহসান, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ফখরুদ্দিন আহমেদ ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী শামীম আজিজ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় বর্তমানে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন কারাগারে রয়েছেন।
ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর কোম্পানি আদালতে ইভ্যালি অবসায়নে কমিটি গঠনের আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ অক্টোবর ইভ্যালির ব্যবস্থাপনার জন্য আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বোর্ড গঠন করেন।
