Home ফিচার ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কে?, নাম বলছেন না ইকবাল

ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কে?, নাম বলছেন না ইকবাল

0
133

নজর২৪ ডেস্ক- কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনার সাত দিন পর পুলিশ জানায়, যে ব্যক্তি কাজটি করেছেন, তাঁকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। নাম ইকবাল হোসেন। তিনি কুমিল্লা শহরেরই বাসিন্দা, তবে ‘ভবঘুরে ও মাদকাসক্ত’।

 

তাঁকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ বলছে, জিজ্ঞাসাবাদেও কোরআন অবমাননার বিষয়টি স্বীকার করেছেন ইকবাল। তবে কেন এই কাজ তিনি করতে গেলেন, তাঁকে দিয়ে এ কাজ কারা করিয়েছেন, ঘটনার নেপথ্যের ব্যক্তিরা কারা—এসব প্রশ্নের কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

 

পুলিশ সূত্র বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে ইকবাল একেক সময় একেক তথ্য দিচ্ছেন। কোনো প্রশ্নেরই সদুত্তর দিচ্ছেন না।

 

ইকবালকে গতকাল শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লা পুলিশ লাইনসে আনা হয়। সেখানে তাঁকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা এবং প্রতিমা থেকে গদা সরানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন ইকবাল।

 

কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ গত রাতে মুঠোফোনে বলেন, ইকবালের কাছে কয়েকটি বিষয়ে জানতে চেয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যে কিছু বিষয় তিনি স্বীকার করেছেন। কিছু প্রশ্নের জবাব পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

 

পুলিশ সূত্র জানায়, ইকবালের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ যাঁদের ঘনিষ্ঠতা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে, তাঁদের নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে।

 

ইকবালের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য দাস বলেন, ‘তাঁকে (ইকবাল) দিয়ে যাঁরা এই কাজ করিয়েছেন, তাঁদের চেহারা দেখতে চাই। আসল ঘটনার নায়ককে দেখতে চাই। ইকবালকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে সত্য, তবে মূল পরিকল্পনাকারী কারা, তা তো এখনো জানা গেল না। আমরা প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তি দাবি করছি।’

 

এদিকে পবিত্র কোরআন অবমাননায় অভিযুক্ত ইকবালসহ চারজনকে আদালতে তোলা হয়েছে। কুমিল্লা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক বেগম মিথিলা জাহান নিপার আদালতে দুপুর ১২ টার দিকে আসামিদের তোলা হয়।

 

ইকবাল ছাড়া যাদেরকে আদালতে তোলা হয়েছে তারা হলেন, মাজারের সহকারী খাদেম হুমায়ুন আহমেদ, ফয়সাল ও ঘটনার দিন পুলিশকে ৯৯৯ এ কল দেয়া ইকরাম হোসেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here