বিনোদন ডেস্ক- বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় তারকা শাকিব খান। দুই বাংলাতেই তিনি পরিচিত। অনেকে তাকে সুপারস্টার মানলেও, তেমনটি মানতে রাজি নন পরিচালক-প্রযোজক সেলিম খান।
বর্তমান সময়ে ঢালিউডে সবচেয়ে দামি প্রযোজক ব্যবসায়ী সেলিম খান। সিনেমার সংকট ও করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও একের পর এক সিনেমা নির্মাণ করে যাচ্ছেন।
২৭ সেপ্টেম্বর থেকে চাঁদপুরে শুরু হয়েছে শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ‘প্রিয়া রে’ সিনেমার শুটিং। এতে অংশ নিয়েছেন কলকাতার নায়িকা কৌশানী মুখার্জি, রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখার্জিসহ আরো অনেকে। সেখানেই শাকিবকে নিয়ে বোমা ফাটালেন সেলিম খান।
দেশের চলচ্চিত্র শিল্পীদের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি শাকিব প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা সবাই শাকিবকে সুপারস্টার বলি। কিন্তু শাকিব খান কোনোভাবেই সুপারস্টার না। কারণ শাকিবকে নিয়ে কয়েকটি সিনেমা নির্মাণ করেছি তার একটিও ব্যবসাসফল হয়নি’।
শুক্রবার (১ অক্টোবর) চাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর এলাকায় শুটিং সেটে সেলিম খান বলেন, ‘শাকিব খানের এখন মার্কেট ভ্যালু নেই। যে কারণে অনুদানের সিনেমায় অভিনয় করছেন। তাছাড়া শাকিব যে সম্মানি নেন তা একজন প্রযোজকের গলাকাটার মতো। কেননা উনার কল টাইম যদি সকাল ১০ টায় দেয়া হয়, উনি আসেন দুপুর দুইটায়। আবার দুই ঘণ্টা কাজ করে চলে যান’
এসব কারণে শাকিব খানকে নিজের নতুন কোন সিনেমায় নেবেন না উল্লখ করে সেলিম খান বলেন, শাকিবের ছবি আর দর্শক দেখে না। শুধু ঈদে তার অভিনীত ছবির কিছু নিড টেবিল কালেকশন হয়। এছাড়া সারাবছর উনি ফ্লপ। এসব কারণে উনি সুপারস্টার না’।
শাপলা মিডিয়ার এই কর্ণধার আরো বলেন, ‘নূর’ এবং বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক মুক্তির পর বাংলাদেশের জনগণ মনে করবে সুপারস্টার আরিফিন শুভ। আর ‘অপারেশন সুন্দরবন’ দেখে বাংলাদেশের জনগণ মনে করবে সিয়াম সুপারস্টার। শুভ-সিয়াম দুজনকে মনে করি ভবিষ্যতের না, বর্তমানেই সুপারস্টার’।
একাধিক ইস্যুতে বেশ দীর্ঘদিন ধরে শাপলা মিডিয়া ও দেশের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের মধ্যে সম্পর্কে জটিলতা রয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। তবে শাকিব খানকে ‘আমি নেতা হবো’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ করে প্রথম আলোচনায় আসে প্রযোজনা সংস্থা শাপলা মিডিয়া।
এরপর শাকিবকে নায়ক করে ‘চিটাঙ্গাইয়া পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া’, ‘ক্যাপ্টেন খান’ ও ‘শাহেনশাহ’ সিনেমা নির্মাণ করে বাংলাদেশে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল প্রযোজনা সংস্থাটি। কিন্তু শাকিব নিজের প্রযোজনা সংস্থা থেকে নিয়মিত সিনেমা করার পর শাপলা মিডিয়া ও শাকিবের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।





