বিনোদন ডেস্ক- বিশ্বসুন্দরী সিনেমার পর নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় চিত্রনায়িকা পরীমনির কাজ করার কথা ছিল অন্তরালে নামের ওয়েব সিরিজে। চয়নিকা জানান, আগস্টের শেষে তাদের কাজটি শুরু করার কথা।
১৩ জুন রাতে পরীমনি তাকে বোট ক্লাবে হেনস্তার অভিযোগ করে যখন সংবাদ সম্মেলন করছিলেন, তখন তার পাশে দেখা গেছে চয়নিকা চৌধুরীকে।
র্যাবের অভিযানে পরীমনি গ্রেপ্তার হয়ে এখন পুলিশের হাতে। পরীমনির এই সংকটে চয়নিকা চৌধুরী কেন পাশে নেই, তা নিয়ে আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চয়নিকা চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘১৩ জুন রাতে আমি পরীমনির কাছে গিয়েছিলাম তার দেয়া স্ট্যাটাস পড়ে। বিষয়টা কিন্তু এমন না যে, আমি সব আগে থেকেই জানতাম।’
চয়নিকা আরও বলেন, ‘অনেকে অনেক কথাই বলবে। আমি গেলেও আলোচনা-সমালোচনা করবে; না গেলেও আলোচনা-সমালোচনা করবে। এতে আমার কিছু যায় আসে না।’
চয়নিকা বলেন, ‘পরীমনির বাসায় অভিযান চলার কথা শুনে সেখানে আমি কেন যাব? আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন অনুযায়ী সেখানে কাজ হবে, এটাই তো স্বাভাবিক।
‘আমার সেখানে কী করার আছে? আর সেখানে গেলেই কি আমি পরীমনির বাসায় যেতে পারতাম?’
বিশ্বসুন্দরী সিনেমার পর থেকেই পরীমনি ও চয়নিকাকে একসঙ্গে দেখা গেছে অনেকবার। তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জানতে চাইলে চয়নিকা বলেন, ‘আমার পরিচালিত প্রথম সিনেমায় পরীমনি কাজ করেছে। কাজের কারণেই অনেক দিন আমরা একে অপরের সঙ্গে মিশেছি। আমাদের মধ্যে একটা সম্মানের সম্পর্ক আছে।’
তিনি বলেন, ‘তার (পরীমনি) ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে যেমন আমার কোনো আগ্রহ ছিল না, তেমনি পরীমনিও তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করত না। আমাদের কথা-আড্ডা হতো কাজ নিয়ে; কাজের ধরন নিয়ে।
‘আমি আগেই বলেছি, আমি পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করি। শুধু পরীমনি কেন, কারও ব্যক্তিগত বিষয় জানার আগ্রহ ও সময় আমার নেই।’
উল্লেখ্য, বুধবার (৪ আগস্ট) রাতে অভিযান শেষে বনানীর বাসা থেকে পরীমণি ও তার সহযোগীকে আটক করে র্যাব। তার বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। আটক করে তাদের নেওয়া হয় র্যাব সদর দফতরে। রাতভর সেখানেই থাকতে হয় পরীমণিকে।
দিনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমণিকে হাজির করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদের আদালত শুনানি শেষে পরীমণির চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি তার সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দীপুরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।





