Home আলোচিত মামুনুল হককে লাঞ্ছিত করে স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের লোকজন

মামুনুল হককে লাঞ্ছিত করে স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের লোকজন

0
76

নজর২৪ ডেস্ক- হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে দ্বিতীয় স্ত্রীসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে রেখেছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মামুনুল হক ও তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে।

 

মামুনুল হককে সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। এর আগে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মামুনুল হককে নানা রকম অপবাদ দিয়ে লাঞ্ছিত করে।

 

শনিবার বিকেল ৩টায় সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘর বন্ধ থাকায় তিনি রিসোর্টের ৫০১ নম্বর রুমে উঠেন দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে। এ খবরে স্থানীয় ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু নেতাকর্মী বিকেল সাড়ে ৫টায় স্ত্রীসহ মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে। খবর পেয়ে সোনারগাঁও থানা পুলিশের একটি টিম রয়েল রিসোর্ট থেকে তাদের উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত নারীর নাম আমিনা তাইয়াবা (২৫)।

 

মামুনুল হক বলেন, ‘আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁওয়ে বেড়াতে আসি। সোনারগাঁও জাদুঘরে গিয়ে জাদুঘর বন্ধ থাকা আমি বিকেল ৩টায় স্থানীয় সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে এসে অবস্থান নেই। পরে এলাকার যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লোকজন আমার সাথে খারাপ আচরণ করে। তারা আমাদেরকে হেনস্তা করে একপর্যায়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন ও পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে।

 

তিনি আরো বলেন, ‘ইসলামের শরিয়ত মোতাবেক আমি দ্বিতীয় বিয়ে করি গত দুই বছর আগে। সে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী। আমি আল্লাহর কসম কাটতাছি সে আমার স্ত্রী তার প্রমাণ আমি দেখাবো। আমি কোনো অপরাধ করি নাই। কোনো দুর্বলতা আমার নাই।’

 

এদিকে মামুনুল হক অবরুদ্ধ এমন খবর শুনে সেখানে সন্ধ্যার পর জড়ো হতে থাকেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে রয়েল রিসোর্টে হামলা চালিয়ে মামুনুল হককে নিয়ে যান তারা।

 

পুলিশ বলছে, মামুনুল হক একজন নারীসহ রিসোর্টে অবস্থান করছেন, এমন খবর পেয়ে স্থানীয় কিছু লোকজন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তার কক্ষটি ঘেরাও করেন।

 

অন্যদিকে মামুনুল হক দাবি করেছেন, তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে অবকাশযাপনে ছিলেন। কিছু লোক তাকে নাজেহাল করেছে।

 

ঘটনার সংবাদ পেয়ে মামুনুল সমর্থকরা জড়ো হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে।

 

শনিবার (০৩ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে তার সমর্থকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে।

 

অনুসারীরা যখন রিসোর্টে ভাঙচুর চালিয়ে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তখন মামুনুলকে কক্ষের ভেতর জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদসহ সোনারাগাঁ থানার কর্মকর্তারা তখন সেখানেই ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here