Home আলোচিত হেফাজতের কর্মীদের শান্ত থাকতে বললেন মামুনুল হক

হেফাজতের কর্মীদের শান্ত থাকতে বললেন মামুনুল হক

0
83

নজর২৪, নারায়ণগঞ্জ- নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি রিসোর্টে অবরুদ্ধ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক মুক্ত হয়েছেন। মুক্তির পরপরই হেফাজত কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় রয়াল রিসোর্টের ৫ম তালার ৫০১ নম্বর কক্ষে এক ‘নারীসহ’ তাকে অবরুদ্ধ করা হয়। সেই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন মামুনুল হক। পরে পুলিশ গিয়ে মামুনুলকে উদ্ধার করে। পরে সন্ধ্যায় রয়েল রিসোর্টে হামলা চালিয়ে অবরুদ্ধ মাওলানা মামুনুল হককে ছাড়িয়ে পাশের একটি মসজিদে নিয়ে যান কর্মীরা।

 

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুক্ত হয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সাংবাদিক ও পুলিশ আমার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করেনি। কিছু বাইরের লোক খারাপ আচরণ করেছে। আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম। আপনারা শান্ত থাকুন।’

 

মামুনুল হকের দাবি, সঙ্গে থাকা নারীর নাম আমিনা তৈয়ব। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। আমিনাকে সঙ্গে নিয়ে রিসোর্টে ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে নারীসহ মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সঙ্গে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন মামুনুল হক।

 

মামুনুল হক অবরুদ্ধ এমন খবর শুনে সেখানে সন্ধ্যার পর জড়ো হতে থাকেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে রয়েল রিসোর্টে হামলা চালিয়ে মামুনুল হককে নিয়ে যান তারা।

 

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোশাররফ হোসেন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামুনুল হককে থানায় নেওয়ার পথে রিসোর্টে হামলা চালান হেফাজতের কর্মীরা। পরে মামুনুল হককে নিরাপদে স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। সেখানে হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান হেফাজতের কর্মীরা। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

 

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক দাবি করেছেন, অবসরকালীন সময় কাটাতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে বেড়াতে এসেছেন। ওই নারীকে দুই বছর আগে বিয়ে করেছেন তিনি। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাকে তর্কবিতর্ক করতে দেখা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here