নজর২৪ ডেস্ক- করোনাভাইরাসের প্রথম টিকা জনসমক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেয়া উচিত বলে মনে করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
বুধবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে এক অনলাইন নিউজ পোর্টালের কাছে এ মত তুলে ধরেন তিনি।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘টিকার ক্ষেত্রে সরকার সবচেয়ে বড় ভুলটা হচ্ছে, পয়লা টিকাটা নেয়া উচিত প্রধানমন্ত্রীর। পাবলিকলি টেলিভিশনের সামনে টিকা উনি নিলে লোকের আস্থা জন্মাবে। পাশাপাশি প্রত্যেক মন্ত্রীর জেলা শহরে গিয়ে সবার আগে টিকা নেয়া উচিত। তাহলে লোকের আস্থা জন্মাবে এবং তাদের বুঝিয়ে বলা যাবে।’
টিকাগ্রহণের ক্ষেত্রে যে অগ্রাধিকার জনগোষ্ঠী ঠিক করা হয়েছে, তা ঠিকই আছে বলেও মনে করেন ডা. জাফরুল্লাহ।
এদিকে টিকা প্রয়োগে ১৫ দিন অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীববিজ্ঞানী, সার্সভাইরাসের কিট উদ্ভাবক ও করোনাভাইরাস শনাক্তের ‘জি র্যাপিড ডট ব্লট’ কিট উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার শীল।
তিনি বলেন, ‘এই টিকা ভারতে ব্যাপকহারে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষ ভারতের ফলটা দেখতে পারে। ভারতে টিকার প্রভাব ভালো হলে সবার দুশ্চিন্তা চলে যাবে। কারণ ভারত ও বাংলাদেশের মানুষ তো একই রকম। সুতরাং সেখানে যে ফল আসবে সেটা বাংলাদেশেও আশা করা যায়।’
ড. বিজন কুমার শীল বলেন, ‘অন্ততপক্ষে আরও ১৫ দিন দেখা উচিত। ভারতে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে, এর যদি প্রতিক্রিয়া হয়, তাহলে এর মধ্যেই হয়ে যাবে। তখন মানুষের প্রশ্ন কম থাকবে। তাছাড়া বাংলাদেশে ভ্যাকসিন আসা মানেই তো দেয়া না। টিকা আসার পর সেটআপ করতেও তো সময় লাগবে। কাকে টিকা দেবে তাদের নির্বাচন করা, যারা টিকা দেবে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া- এসব করতে সপ্তাহ দুই সময় লেগে যাবে। দুই সপ্তাহের মধ্যে ভারতের পরিস্থিতি বোঝা যাবে।’
উল্লেখ্য, ভারতের উপহার হিসেবে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকার ২০ লাখ ডোজ আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ঢাকায় পৌঁছাবে। ইতোমধ্যে উপহারের টিকা নিয়ে রওনা হয়েছে এয়ারইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট। চিকিৎসক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাংবাদিকদের মধ্য থেকে ২০ থেকে ২৫ জনকে প্রথমে টিকা দেয়া হবে।





