Home বিনোদন শেহজাদ কীভাবে ভালো থাকবে, সুখে থাকবে এটা নিয়েই ভাবছি: বুবলী

শেহজাদ কীভাবে ভালো থাকবে, সুখে থাকবে এটা নিয়েই ভাবছি: বুবলী

0
101

দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব খানের বিচ্ছেদ হয়ে কি না— এটা নিয়ে তারা কেউ মুখ খোলেননি। যদিও বুবলী সবসময় বলে আসছেন তাদের বিচ্ছেদ হয়নি, আলাদা থাকছেন।

দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের রহস্য জিইয়ে রেখেই প্রাক্তন স্ত্রী অপু বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় একত্রে সময় কাটিয়েছেন শাকিব। সঙ্গে ছিলেন তাদের ছেলে আব্রাহাম খান জয়।

এদিকে জয়কে নিয়ে শাকিব যখন ঘুরছিলেন, তখন দেশেই মা বুবলীর কাছেই ছিল তার দ্বিতীয় সন্তান শেহজাদ খান বীর। সন্তান জয়কে নিয়ে শাকিব–অপুর দেশের বাইরে ঘোরাফেরার বিষয়টা কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে বুবলী বলেন, দেখুন এসব নিয়ে আমি আগেও বলেছি আবারও বলছি, আমার জীবনের প্রথম প্রায়োরিটি এখন শেহজাদ খান বীর। আমাকে তার বাবা-মা উভয়েরই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, তার টেককেয়ার করাই এখন আমার ব্যস্ততা। এর বাইরে আমি অন্যকিছু শুনছিও না, দেখছিও না, ভাবছিও না। এসব ব্যাপারে আর কথাও বলতে চাই না। আর নিজের কাজও রয়েছে। তাই এসব নিয়ে আমার ভাববার টাইম নেই।

তিনি আরও বলেন, আমি যে বললাম শেহজাদের জন্য আমাকে বাবার দায়িত্বও পালন করতে হয়, মায়ের দায়িত্বও পালন করতে হয়—এই কথাটার মধ্যে উত্তর আছে। শেহজাদের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকে অনেকে অনেক কিছুই সামনে আনার চেষ্টা করেছে, এখনও করছে। আমার সন্তান কীভাবে ভালো থাকবে, সুখে থাকবে এটা নিয়েই ভাবছি। নানা দিক থেকে নানা ধরনের কথা মিডিয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে। এসব বিষয়ের সঙ্গে শেহজাদ তো অভ্যস্ত না। এ জন্য সে কীভাবে সুখী হবে, সেটাই এখন আমার দেখার প্রধান দায়িত্ব।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল অপু বিশ্বাসকে বিয়ে করেন শাকিব খান। এরপর ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাদের একমাত্র ছেলে আব্রাম খান জয়ের জন্ম হয়। সেই ছেলেকে নিয়ে ২০১৭ সালে একটি টিভি চ্যানেলের লাইভে এসে বিয়ে-সন্তানের খবর প্রকাশ করেন অপু।

একই ঘটনা ঘটে বুবলীর ক্ষেত্রেও। ২০১৮ সালের ২০ জুলাই বিয়ে করেন শাকিব-বুবলী। আগের মতো এই বিয়েও থাকে গোপন। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ তাদের ছেলে শেহজাদ খান বীরের জন্ম হয়। অনেকটা অপুর কায়দায় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে সন্তানসহ বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন বুবলী। মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন ফেসবুক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here