ধূমপায়ীদের জন্য দুঃসংবাদ, বাড়বে সিগারেটের দাম

ঢাকা: তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমানো ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে সিগারেট কিনতে ধূমপায়ীদের এখন আগের চেয়ে বেশি খরচ করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট উত্থাপনের সময় তিনি এ প্রস্তাব করেন। তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার কমাতে এবং রাজস্ব আদায় বাড়াতে তিনি বেশ কয়েকটি সুপারিশ প্রস্তাব করেন।

চার ধরনের সিগারেটের মধ্যে অতি উচ্চস্তরের সবচেয়ে দামি সিগারেটের দাম বাড়বে সবচেয়ে বেশি। অতি উচ্চস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের দাম ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিম্নমানের ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৩৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে। তবে সম্পূরক শুল্ক ৫৭ শতাংশই থাকছে।

মাঝারি মানের ১০ কাঠি সিগারেটের দাম ৬৩ টাকা থেকে ৬৫ টাকা করা হয়েছে। উঁচুমানের ১০ কাঠির দাম ১০২ টাকা থেকে ১১১ টাকা এবং সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের ১০ কাঠি সিগারেটের দাম ১৪২ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এই তিন ধরনের সিগারেটের সম্পূরক মূল্য ৬৫ শতাংশ অপরিবর্তিত থাকছে।

তবে বিড়ি ও জর্দার দাম পূর্ববর্তী বছরের মতোই অপরিবর্তিত থাকছে। বাজেট প্রস্তাবে মন্ত্রী বলেন, ‘পূর্ববর্তী বছরের ন্যায় যন্ত্রের সাহায্য ব্যতীত হাতে তৈরি ফিল্টার বিযুক্ত বিডির পঁচিশ শলাকার দাম ১৮ টাকা, বারো শলাকার দাম ৯ টাকা ও আট শলাকার দাম ৬ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি। ফিল্টার সংযুক্ত বিড়ির বিশ শলাকার দাম ১৯ টাকা ও দশ শলাকার দাম ১০ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৪০ শতাংশ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।’

এছাড়া প্রস্তাবে আরও বলা হয়, ‘পূর্ববর্তী বছরের ন্যায় প্রতি দশ গ্রাম জর্দার দাম ৪০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ এবং প্রতি দশ গ্রাম গুলের দাম ২০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *