নজর২৪ ডেস্ক- গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমের হেড অব সেলস (কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) অফিসার হুমায়ুন কবির নিরব ওরফে আরজে নিরবকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তেজগাঁও বিভাগ। এক দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
অভিযোগ আছে- আরজে নিরবের কাজই ছিল সাধারণ মানুষদের আকৃষ্ট করা। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও তিনি কিউকম নিয়ে নানান প্রচারণা চালিয়েছেন। তার কথায় বিশ্বাস করে সাধারণ মানুষ লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে পথে বসেছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, আরজে নিরবের প্রচারণায় আকৃষ্ট হয়ে গ্রাহকরা কিউকমের প্রতি ঝুঁকেছিলেন। তাই কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না নিরব।
এদিকে আরজে নিরবের সু-বিচার এবং মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন তার স্ত্রী, পরিবার, সহকর্মী, বন্ধু ও অনুরাগীরা। প্রিয় বন্ধুর সু-বিচার প্রত্যাশা করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ, অভিনেতা-উপস্থাপক ইমতু রাতিশ।
স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে তোলা নিরবের একটি ছবি পোস্ট করে ইমতু রাতিশ লিখেছেন, ‘ছবির মানুষগুলো আমার অন্তরের অনেক কাছের। আত্মার আত্মীয়। কর্তাকে সবাই চেনেন। আরজে নিরব। বধূটি আমার বোন। আর তাদের একমাত্র কলিজার টুকরা আমাদের ভাগ্নি। খুব সুখী, সাধারন পরিবার। সম্প্রতি এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঝড়ে সব এলোমেলো।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘কিছু কথা না বলে পারছিনা। কাছের মানুষই একমাত্র একজন মানুষকে ভালোভাবে বিচার করতে পারে। তার ভুল-ত্রুটি চোখে পড়ে। নিরবকে আমি কাছ থেকে দেখছি আজ প্রায় ১১ বছর। নিরব কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে বা কারো টাকা মেরে দিয়েছে বা সে কারো সাথে অবিচার করেছে এটা বুকে হাত দিয়ে মানুষ দূরে থাক স্বয়ং শয়তানও বলতে পারবে না। জীবনে কখনো মদ, সিগারেট ছুঁয়েও দেখেনি। সেই মানুষটা আজ কিছু মিথ্যাচারের চাদরে ফেঁসে আছে। খোদা মহান, খোদা সবচাইতে বিজ্ঞ। তিনি সুবিচারক। নিরব তার প্রাপ্য সম্মান এবং মর্যাদা আবার ফিরে পাবে। দেশে আইন আছে, সুবিচার পাওয়ার অধিকার সবার আছে। নিরবও পাবে। ইনশাল্লাহ।’
এ প্রসঙ্গে ইমতু রাতিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘সত্য সুন্দর। আমি বিশ্বাস করি নিরব নির্দোষ। সে যদি সত্যিই দোষ করে থাকে, তবে দেশের আইন তার বিচার করবে। কিন্তু কোম্পানির দোষে কখনো কর্মচারীর বিচার হওয়াটা কতটা যৌক্তিক, সে বিষয়ে আমি সন্দেহ পোষণ করি। সত্যের জয়



