Home প্রধান খবর ইভ্যালিসহ ই-কমার্স নিয়ে কড়া বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ইভ্যালিসহ ই-কমার্স নিয়ে কড়া বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

0
90

নজর২৪, ঢাকা- ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির গ্রাহকের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন ইভ্যালির সিইও-এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান রাসেলের স্ত্রী শামীমা নাসরিন।

 

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানিয়েছেন, এক হাজার কোটি টাকার মতো ঋণের দায়ে ডুবে আছে ইভ্যালি। অথচ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা আছে মাত্র ৩০ লাখ টাকা।

 

গ্রেফতার রাসেল গ্রাহকদের এসব দায় মেটাতে পারবেন কিনা প্রশ্নের জবাবে রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ইভ্যালি এটি না করতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানুষের অনেক টাকা নিয়েছে ইভ্যালি। কীভাবে তারা তাদের কমিটমেন্ট পূরণ করবে তা আমার জানা নেই। আমরা মনে করি, তারা গ্রাহকদের যে কমিটমেন্ট দিয়েছে, তারা যদি সেটি পূরণ করতে না পারে, তা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এটি করতেই হবে।

 

এমন সব প্রতিষ্ঠানে না জেনে বুঝে লেনদেন করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, ‘যারা এমন ব্যবসায় লগ্নি বা ইনভেস্ট করেন, তাদের বলছি— আপনারা প্রতারিত যাতে না হন, সেটি বুঝেই করবেন। এসব প্রতিষ্ঠান এই যে প্রলোভনগুলো দেখাচ্ছে সেটি বাস্তবসম্মত কিনা তা নিজেরা চিন্তা করে সেখানে ইনভেস্ট (লেনদেন) করবেন। ইনভেস্ট করার আগে নিশ্চিত হয়ে নেবেন, এতে ঝুঁকি কতখানি আর (অর্থ বা পণ্য) কী রকম পাবেন। সেটি নিশ্চিত না করতে পারলে এমন প্রতিষ্ঠানে ইনভেস্টমেন্ট থেকে বিরত থাকবেন।’

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ই-বিজনেস বলুন আর যেটাই বলুন, কতগুলো প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে; ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জ এর মধ্যে কীভাবে যেন আমাদের বেশ কয়েকজনের নামও জড়িত করে ফেলেছে। একজনের নাম তো বলতেই হয়- প্রখ্যাত নিউরো সার্জন এম আলী। তিনি তো আমার কাছে এসে কেঁদে কেঁদে বলেছেন, তিনি কিছুই জানতেন না।

 

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তিনি একজন প্রখ্যাত ডাক্তার। টেলিমেডিসিন কীভাবে প্রসার করা যায়, সে বিষয়ে ধামাকার সঙ্গে তার আলাপ হয়েছিল। এখন তার নামটি ধামাকায় দিয়ে…সেই বেচারা বিপদেই পড়েছেন আমরা দেখছি।

 

ই-অরেঞ্জের সঙ্গে একজন পুলিশ সদস্য জড়িত। তার বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং তাকে ভারত থেকে দেশে ফিরে আনার বিষয়ে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সেগুলো সিস্টেম অনুযায়ী চলে আসবেই। আমি যেটা বলতে চাচ্ছি, যারা লোভনীয় মুনাফার কথা বলছেন, যে গাড়ির দাম ১০০ টাকা বলছে ৫০ টাকায় দেবে এগুলো বাস্তবসম্মত কি না, সেগুলো দেখে-শুনে আমরা ইনভেস্ট করার জন্য অনুরোধ করছি যেন কেউ প্রতারিত না হয়।

 

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ই-কমার্সের অনুমোদন যারা দিচ্ছে তাদের কোনো দুর্বলতা আছে কি না, উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এটা জিজ্ঞেস করতে পারেন। আমার কথা হলো, যদি কেউ প্রতারণা করেন আইন অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। যারা প্রতারিত হচ্ছেন, প্রতারণার শিকার হওয়ার আগেই বারবার চিন্তা করে ইনভেস্ট করবেন, এটা হলো আমাদের রিকোয়েস্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here