নজর২৪ ডেস্ক- করোনাভাইরাসের তীব্র সংক্রমণের মধ্যেও ঈদুল আজহার বিবেচনায় নিয়ে চলমান লকডাউন কিছুটা শিথিল করার কথা ভাবছে সরকার। তবে সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে। সেই সঙ্গে আহ্বান থাকছে, মানুষ যেন ছোটাছুটি না করে নিজ নিজ অবস্থানে ঈদ উদযাপন করে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে রোববার (১১ জুলাই) এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা এবং পশুর হাটের বড় বাণিজ্য এসব বিবেচনায় রেখে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করার পরিকল্পনা চলছে। তবে কীভাবে এটা করা হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
শিথিল লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ রাখা হলেও ব্যক্তিগত গাড়ি চলতে পারবে কি-না সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে সোম বা মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপনে পরিষ্কার করা হবে।
জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন রোববার রাতে বলেন, ১৪ জুলাইয়ের পরও বিধিনিষেধ থাকছে। তবে বিধিনিষেধে শিথিলতা থাকছে কি না, সেটি পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সোমবার (১২ জুলাই) রাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে বিকেলে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির পরামর্শে চলমান বিধিনিষেধ আবারও বাড়তে পারে।
করোনা সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতে কঠোর বিধিনিষেধ ১৪ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়িয়ে গত ৫ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
গত ২৪ জুন জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সারাদেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউনে’র সুপারিশ করা হয়। কমিটির সুপারিশের আলোকে ২৮ জুন থেকে ৩০ জুন তিন দিন সীমিত পরিসরে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। এরপর ১ জুলাই থেকে দেশব্যাপী শুরু হয় কঠোর বিধিনিষেধ। যা চলমান অবস্থায় গত ৫ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনে বাড়ানো হয়।





