নজর২৪, ঢাকা- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠক থেকে বেরিয়ে হেফাজত নেতাদের কেউ সাংবাদিকদের কিছু বলেননি। কী নিয়ে বৈঠক হয়েছে জানতে চাইলে হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় রাত ১০টা থেকে সোয়া ১১টা পর্যন্ত এ বৈঠক হয়। এতে অংশ নেন হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী, খেলাফত আন্দোলনের আমির আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, তার ভাতিজা মাওলানা হাবিবুল্লাহ নিয়াজীসহ অন্তত ১০ নেতা। বৈঠকে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও অংশ নেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসা থেকে বের হয়ে আসার পর গেটের সামনে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ কথা বলেন হেফাজত নেতারা। এ প্রতিবেদকদ্বয় তাদের বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।
হেফাজতের মহাসচিব নূরুল ইসলাম জিহাদি বলেন, ‘আমি অসুস্থ। কথা বলতে পারছি না।’ পরে হেফাজতের মহাসচিব হিসেবে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা একটু কথা বলেছি।’
বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মামুনুল হকের ভাই মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, ‘আলোচনা হয়েছে, তবে আর কিছু বলার নাই।’
এরপর উপস্থিত কয়েকজন সাংবাদিক তাদের কাছে কিছু বলার অনুরোধ জানালেও তারা দ্রুতগতিতে গাড়িতে উঠে চলে যান। এসময় মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি হাত নাড়িয়ে বক্তব্য প্রদানে অস্বীকার করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে কোণঠাসা হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা সমঝোতার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তারা গোয়েন্দা সংস্থা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, এটি হেফাজত নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছিলেন তারা। এটি কোনো বৈঠক নয়। ধরপাকড় শুরু হয়েছে বলেই বোধ হয় তারা এসেছিলেন। তাদের বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।





