Home প্রধান খবর করোনা ভ্যাকসিন নিবন্ধনের অ্যাপস প্রস্তুত

করোনা ভ্যাকসিন নিবন্ধনের অ্যাপস প্রস্তুত

0
151

নজর২৪, ঢাকা- দেশে করোনা ভ্যাকসিনের অনলাইন নিবন্ধন ও যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণে একটি ‘সুরক্ষা অ্যাপ’ প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

 

তিনি বলেন, আগামী ২৫ জানুয়ারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অ্যাপটি হস্তান্তর করা হবে। সেই সঙ্গে ভ্যাকসিন সম্পর্কিত কোন গুজবে কান না দেয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

 

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে কোভিড-১৯ এর স্বাস্থ্য বুলেটিন-২০২০-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

 

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন,  ‘ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আসছে। সেটি কীভাবে প্রয়োগ করা হবে সেটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমরা করবো। রেজিস্ট্রেশন, কবে, কোথায় নিতে হবে- সে সব তথ্য নাগরিকদের কাছে পাঠানো এবং ভ্যাকসিন যারা নিয়েছেন তাদের তথ্য উপাত্তগুলো প্রয়োজনীয় সংস্থার সঙ্গে আদান প্রদান করা, এই বিষয়গুলো ম্যানেজ করার জন্য আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায়, সুরক্ষা ডট জিওভি ডট বিডি নামে একটি ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি। যেটি আগামী দুই দিন সফটওয়্যার টেস্টিং এবং কোয়ালিটি অ্যাশিউরেন্স ল্যাবে পরীক্ষা হবে। তারপর আমরা আশা করছি, ২৫ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের এই ডিজিটাল ভ্যাকসিন রেজিস্ট্রেশন প্ল্যাটফর্ম তুলে দিতে পারবো।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘কারও কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে, ষড়যন্ত্রকারীদের কথায় আমরা যেন মনোবল দুর্বল না করি।’

 

পলক বলেন, দেশে কাউকে করোনা ভ্যাকসিন নিতে হলে প্রথমে এই অ্যাপে নিজেদের তথ্য দিয়ে তালিকাভুক্ত করতে হবে। যেখান থেকে সরকার ভ্যাকসিন গ্রহীতার সম্পর্কে তথ্য পাবেন, তেমনি যারা ভ্যাকসিন নেবেন, তারাও পরবর্তী আপডেট সম্পর্কে জানতে পারবেন।

 

করোনাকালে ডিজিটাল সেবার গুরুত্ব তুলে ধরে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৮০ শতাংশের বেশি করোনা রোগী টেলিমেডিসিন সেবা নিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, সরকারের corona.gov.bd দেড় কোটি ভিজিট হয়েছে। সেখানে করোনা মোকাবিলায় তথ্য নিয়েছেন ভিজিটররা। ফলে বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রচার হয়নি। করোনার তথ্য সেবা নিশ্চিত করতে সব সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের কাজ করা হয়েছে। সার্চ ইঞ্জিনে বাংলা ভাষায় তথ্য দেয়া হয়েছে।

 

পলক বলেন, করোনা ট্রেসারের মাধ্যমে অনেকে উপকার পেয়েছেন। এ অ্যাপটি ডাউনলোড হয়েছে ৮ লাখ বার। এখনো দেড় লাখ মানুষ এটি ব্যবহার করছে।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সুবিধার কারণে দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সব কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here