Home আন্তর্জাতিক ভারতের ছোড়া মিসাইল নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

ভারতের ছোড়া মিসাইল নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

0
161

এক সপ্তাহ আগের ঘটনা। ভারতের ছোড়া একটি মিসাইল পাকিস্তানের পাঞ্জাবে আঘাত করে। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও একটি বেসামরিক স্থাপনায় দেয়াল ধসে পড়ে। এ ঘটনায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

এ ঘটনা সামনে আসার পর ভারত জানায়, ‘দুর্ঘটনাবশত’ এটি ঘটেছে। তবে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামাবাদ। মঙ্গলবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ নিয়ে ভারতের বিবৃতি অসম্পূর্ণ। বিষয়টি তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে লিখিতভাবে অবহিত করেছেন। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিষয়টি তুলে ধরতে আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে গত ৯ মার্চের এ ঘটনা নিয়ে এতদিন চুপ ছিলেন পাকিস্তানের চিফ অব আর্মি স্টাফ জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। কিন্তু মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) সামরিক বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে মুখ খোলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কর্পস কমান্ডার্স কনফারেন্সে। কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। খবর জিও টিভির।

জেনারেল বাজওয়া সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ভারতের ‘দুর্ঘটনাবশত’ ছোড়া মিসাইল একটি ‘ট্রিগার’ হিসেবে কাজ করতে পারত, যা আঞ্চলিক শান্তি এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা ‘গুরুতর’ ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারত।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগ (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে (জিএইচকিউ) ২৪৮তম কর্পস কমান্ডারদের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।

তারা জানায়, ফোরামকে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উন্নয়ন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পশ্চিম সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার অগ্রগতি সম্পর্কে একটি বিস্তৃত ব্রিফিং দেয়া হয়েছিল।

আইএসপিআর জানায়, নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক ‘দুর্ঘটনাজনিত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ’ নিয়ে দেশের শীর্ষ সামরিক কর্তারা ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন। সম্মেলনে যোগ দেয়া সেনা কর্মকর্তাদের মতামত হচ্ছে ভারতের দাবি অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারত।

ঘটনাটি সম্পর্কে নয়াদিল্লির এমন স্বীকারোক্তি সত্ত্বেও ‘প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোকে অবশ্যই এই ঘটনা গুরুতরভাবে নিতে হবে এবং ভারতীয় কৌশলগত সম্পদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রোটোকলগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে তদারকি করতে হবে বলে জোরারোপ করে ফোরাম।

ফোরাম আরও জানায়, এই ধরনের বিপজ্জনক ঘটনা ট্রিগার হিসেবে কাজ করতে পারে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও কৌশলগত স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে বিপন্ন করতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here