নজর২৪ ডেস্ক- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে গোলাম রাব্বানীর সরে দাড়ানো নিয়ে গু’ঞ্জন যেন থামছেই না। এক পক্ষ বলছেন, রাব্বানীকে ছাত্রলীগ থেকে বহি’স্কার করা হয়েছে।
আর অন্যপক্ষ বলছেন তিনি পদত্যাগ করেছেন। যে যাই বলুক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ থেকে পদ হারানোর কারণ খুঁজতে গেলে ফিরে আসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘু’ষ নেয়ার অভি’যোগটি।
যে অভি’যোগের কারণে পদ ছাড়তে বাধ্য হন গোলাম রাব্বানী; সেই প্রসঙ্গটি নিয়ে আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। নজর টুয়েন্টিফোরের পাঠকদের জন্য রাব্বানীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
“ছাত্রলীগের পদ থেকে আমাদের পদ’ত্যাগের প্রেক্ষাপট সৃষ্টিতে মূল অভি’যোগ ছিলো, জাবির ভিসি ম্যামের করা চাঁ’দা দা’বীর মি’থ্যা অভি’যোগ, আর সেটা যে তিনি নিজের মহাদুর্নী’তি (প্রায় ৬০ কোটি টাকা) আড়াল করতেই করেছিলেন, সেটা ইতিমধ্যেই তথ্য-প্রমাণসহ দিবালোকের মতো পরিষ্কার।
সেসময় মিডিয়াগুলোতে ফলাও করে প্রচার করা হয়, বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আমাদের নামে নাকি আরো অনেক অভি’যোগ নেত্রীর কাছে জমা পড়েছে! যদিও আজ অবধি একটা অভি’যোগেরও বাস্তব অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আজ দুপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে, সরকারি একটি সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সাথে আলাপকালে, কথা প্রসঙ্গে তিনি জানালেন, একটি মাধ্যম থেকে নেত্রীর কাছে অভি’যোগ দেয়া হয়েছিলো, আমাদের নামে নাকি গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে আলাদা রুম বরাদ্দ আছে! আর এর সাথে প্রাসঙ্গিক কি ধরনের অভি’যোগ করা হতে পারে, তা সহজে অনুমেয়!! অথচ, বাস্তবতা হচ্ছে, ইহজীবনে আমি কোনদিন ওয়েস্টিন হোটেলে যাইনি!
তাহলে বুঝুন, ছাত্রলীগের বি’রুদ্ধে ষড়’যন্ত্র’টা ঠিক কোন লেভেলের হয়েছে! কারণটা কি, দেশরত্ন শেখ হাসিনা নিজে পছন্দ করে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তাই অন্য কারো স্বার্থের পাহাড়াদার হিসেবে, মনঃপুত নি’র্দেশনা পালনে অবহেলা ছিল বলেই??”
