Home জাতীয় যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ করুন: প্রধানমন্ত্রী

যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ করুন: প্রধানমন্ত্রী

0
66

নজর২৪, ঢাকা- ঈদ উপলক্ষে সবাইকে ছুটোছুটি না করে যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

তিনি বলেছেন, করোনাকালীন সময়ে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে বেঁচে থাকলে তো দেখা হবে। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঈদ উপলক্ষে সবাই ছোটাছুটি না করে যে যেখানেই আছেন সেভাবেই ঈদ উদযাপন করেন। আর যারা বিত্তশালী আছেন তারা যারা একটু দুস্থ তাদেরকে সহযোগিতা করেন।

 

বৃহস্পতিবার (০৬ মে) সকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার অবকাঠামো ও জলযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

 

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জলযান ও অবকাঠামোর উদ্বোধন করেন। অন্যদিকে নৌ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে যুক্ত ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

 

করোনা প্রদুর্ভাব থেকে সুরক্ষায় থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনা যাতে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য সবার কাছে আমার অনুরোধ। আপনারা স্বাস্থ্যসুরক্ষা মেনে চলুন। আর এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাতায়াত একেবারে না পারলেই আপনারা করবেন না। কারণ এই যাতায়াতটা করতে গেলেই কে যে সংক্রমিত হবেন আপনি জানেন না।

 

কিন্তু সে যখন অন্য জায়গায় যাবে অনেক লোককে করোনা সংক্রমিত করবে। তখন তাদের জীবন নিয়ে সমস্যা দেখা দেবে। সেটা যাতে না হয় সেজন্যই আমরা কিন্তু যাতায়াত সীমিত করার পদক্ষেপ নিয়েছি। কিন্তু সেই সঙ্গে দেশের মানুষের আর্থিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডগুলো যেন অব্যাহত থাকে, সেটাও সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, সেটার জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

 

নৌ দুর্ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব নৌযান চলাচল করে প্রত্যেকটা নৌযানের রেজিস্ট্রেশন থাকা উচিত। রেজিস্ট্রেশন না থাকলে কখন কে কী নৌযান চালাচ্ছে বোঝা যায় না। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা যদি নৌযান পরিচালনা করতে পারি, আমি মনে করি দুর্ঘটনা কমে যাবে। নৌযানে যাতায়াতকারী ও পরিচালনাকারী সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌ বন্দর যেমন অভ্যন্তরীণ তেমনি বিশাল সমুদ্রসীমা আমাদের রয়েছে। জাতির পিতা ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। পঁচাত্তর পরবর্তী জেনারেল জিয়াউর রহমান, জেনারেল এরশাদ ও খালেদা জিয়া তাদের কিন্তু ড্রেজার সংগ্রহে কোনো মনোযোগ ছিল না।

 

তিনি বলেন, জাতির পিতা মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করেছিলেন। ভারতের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছিলেন, সম্পন্ন করতে পারেন নাই। তিনিই প্রথম সমুদ্রসীমা আইন করে দিয়ে যান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here